Author: Saizul Amin

  • শার্শা থানা পুলিশের অভিযানে চাঁদাবাজ আটক, আঁড়ালে রয়েছে গডফাদারা

    শার্শা থানা পুলিশের অভিযানে চাঁদাবাজ আটক, আঁড়ালে রয়েছে গডফাদারা

    যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের শার্শার বাগুড়ী বেলতলা আমের বাজারের পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় কালে নাইম (২৬) নামে এক চাঁদাবাজকে হাতে নাতে আটক করেছেন শার্শা থানা পুলিশ।
    বৃহস্পতিবার (১জুন) রাত ৯টার সময় শার্শা থানা পুলিশ বাগুড়ী বেলতলা আমের বাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    আটক নাইম কলারোয়া উপজেলার গোলচাতর এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে। তার কাছ থেকে চাঁদাবাজির বিভিন্ন রশিদ আদায় করেছে পুলিশ।

    স্থানীয়রা জানান আটককৃত নাইম ও জব্দকৃত রশিদের সূত্র ধরে খোঁজ নিলেই পাওয়া যাবে চাঁদাবাজদের গডফাদারকে।

    স্থানীয়রা আরও জানান, চাঁদাবাজ নাইম আটক হলেও চাদাবাজদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট রয়েছে যার বিভিন্ন সদস্য ও মূল গডফাদার রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।
    এসব সিন্ডিকেট গড ফাদারদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বন্ধ হবে আম বাজারের চাঁদাবাজি নতুবা সম্ভব না।

    শার্শা থানার ওসি আকিকুল ইসমাম জানান, বাগুড়ী বেলতলা আমের বাজারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আসামী নাইমের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    এবিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল) নিশাত আল নাহিয়ান জানান, আম বাজারে চাঁদাবাজির সাথে যারা জড়িত তাদের ছাড় দেওয়া হবেনা। অন্য যাদের নাম আসছে তাদেরকেও আটক করা হবে।

  • কমলগঞ্জে আরএম ডেইরি ফার্ম পেলো ডেইরি আইকন পুরস্কার

    কমলগঞ্জে আরএম ডেইরি ফার্ম পেলো ডেইরি আইকন পুরস্কার

    দুগ্ধ খাতে সাফল্যের পুরস্কার পেলো মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আরএম ডেইরি ফার্ম।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (১লা জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৩ উদযাপন ও ডেইরি আইকন সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে ডেইরি আইকন হিসেবে ‘ডেইরি ক্যাটাগরি’তে পুরস্কার পায় প্রতিষ্ঠানটি।

    অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এ পুরস্কার তুলে দেন আরএম ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মেহেরুন নেছা বেগমের হাতে।

    দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে খামারি ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে দুগ্ধ খাতে দেশের সফল ৪১ জন খামারি ও উদ্যোক্তাকে ডেইরি আইকন পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২য় বারের মতো ৪টি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

    এ বছর ডেইরি ক্যাটাগরিতে ২০ জন, দুধ ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ ক্যাটাগরিতে ৯ জন, পশুখাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্যাটাগরিতে ৮ জন এবং খামার যান্ত্রিকীকরণ ক্যাটাগরিতে ৪ জনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রতিটি পুরস্কারের আর্থিক মূল্য এক লাখ টাকা। সেই সাথে প্রত্যেককে দেয়া হয়েছে সন্মানন ক্রেস্ট ও সনদ।

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, কমিটির সদস্য শহীদুল ইসলাম বকুল, তানভীর হাসান (ছোট মনি) এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল এবং সহকারী এফএও প্রতিনিধি নূর আহমেদ খন্দকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো: আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানে ‘স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসাবে দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের উপকারিতা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. রেয়াজুল হক।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, দেশের প্রয়েজনীয় চাহিদা পূরণে দুধের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। দুধের ঘাটতি পূরণ করে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত এক সময় অবহেলিত ছিল। বঙ্গবন্ধুই প্রথম এ খাত সংশ্লিষ্টদের সম্মানিত করেছেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন এ খাত সংশ্লিষ্টদের সম্মানিত না করলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন হবে না।

    মৌলভাবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুরে আরএম ডেইরি ফার্ম ১২টি গরু নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে খামারটি থেকে প্রতিদিন গড়ে ৬’শ থেকে ৭’শ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। পাশাপাশি মাংসের যোগানও দেয় খামারটি। ফার্মের স্বত্বাধিকারী মেহেরুন নেছা বেগম বলেন এ সাফল্য শুধু আমার একার নয়। আমার খামারের সাথে জড়িত প্রত্যেকেই এ সাফল্যের সমান অংশীদারিত্ব বহন করেন।

    তিনি বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার’প্রকল্পের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি এ খামার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হই। নিজেকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি কিছু মানুষের জীবিকার সংস্থান করতে পারছি এটাই আমার বড় পাওয়া। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন নেছা বেগম বলেন, আমার স্বামী তার কর্মব্যস্ততার ফাঁকেও আমাকে সহযোগিতা করে চলেছেন। আমার শ্বশুর-ভাসুররা আমাকে সাহস না যোগালে আমার একার পক্ষে এতদূর এগিয়ে আসা সম্ভব হত না।

  • জুড়ীতে ১১ জুয়াড়ি পুলিশের জালে

    জুড়ীতে ১১ জুয়াড়ি পুলিশের জালে

    মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ১১ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। জুড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং পুলিশ পরিদর্শক( তদন্ত) হুমায়ুন কবীরদ্বয়ের নেতৃত্বে জুড়ী থানার একদল পুলিশ অদ্য বৃহস্পতিবার (১ লা জুন) অপরাহ্নে জুয়া খেলার সরঞ্জাম এবং জুয়ার বোর্ডে প্রাপ্ত বি়ভিন্ন মূল্যমানের সর্বমোট ৪,১৫০ টাকাসহ মোট ১১ জন জুয়ারিকে আটক করা হয়।

    জুড়ী থানাধীন ইদানিং মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত বেশকিছু অপরাধী পুলিশ ও ডিবির হাতে আটক হয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। যার ফলে জুড়ীতে মাদক ও জুয়া খেলার প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসছে। পুলিশ ও ডিবির এসব অভিযানের ফলে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়ে আশা প্রকাশ করছে। তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে জুড়ী একটি মাদকমুক্ত ও জুয়া মুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
    জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মোশাররফ হোসেন ১১ জন জুয়াড়ি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • বঙ্গবন্ধু আন্ত:কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    বঙ্গবন্ধু আন্ত:কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    মৌলভীবাজারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    অদ্য বৃস্পতিবার (১লা জুন) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় জেলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ড. উর্মি বিনতে সালাম।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রভাংশু সোম মহানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামাল হোসেন, মৌলভীবাজার পৌর মেয়র মো: ফজলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

    এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তা কর্মচারীগনসহ আরও অনেকে।

  • হিট স্ট্রোকে ২ চা শ্রমিকের মৃত্যু

    হিট স্ট্রোকে ২ চা শ্রমিকের মৃত্যু

    কয়েক দিন ধরে টানা গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। এর মধ্যেও মৌলভীবাজারের চা বাগান গুলোতে চা-শ্রমিকদের দুই-তিন শিফটে কাজ করাচ্ছেন বাগানমালিকেরা। এতে কমলগঞ্জ উপজেলার একটি চা-বাগানে কাজের শেষের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়া চার শ্রমিকের মধ্য দুই চা শ্রমিক মারা গেছেন। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন বাগানে আটজন অসুস্থ হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। চা-শ্রমিকেরা জানান, গত বুধবার কমলগঞ্জের ডানকান ব্রাদার্স শমশেরনগর চা-বাগানের ফাঁড়ি দেওছড়ায় তিন শিফটে কাজ করেন ইন্দ্রা দ্বিবেদী (৫০) ও সঞ্জিতা রবিদাস (৩০)। কাজের শেষের দিকে তারা কিছুটা অসুস্থ বোধ করেন। এরপর বাড়ি ফিরে রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন সঞ্জিতা রবিদাসকে শমশেরনগর ক্যামেলিয়া ডানকান হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর ইন্দ্রা দ্বিবেদী (৫০) বাড়িতেই মারা যান। এ ছাড়া দেওছড়া চা-বাগানে দু’জন, শমশেরনগর চা-বাগানে তিনজন, চাতলাপুর চা-বাগানের একজন, আলীনগর চা-বাগানে দু’জন সহ বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। চা-শ্রমিকেরা বলেন, ‘আমরা হিট স্ট্রোক কী বুঝি না। গরম কিংবা ঝড়বৃষ্টি হলেও আমাদের সময়মতো কাজে আসতে হয়। গরমের মধ্যে কাজ করে আমাদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমাদের পায়ে নেই জুতা আর মাথার ওপর সূর্য। একসঙ্গে নিচ ও ওপর থেকে গরম লাগে।’চা-শ্রমিক নেতা শিতারাম বিন বলেন, ‘তীব্র গরমে চা-শ্রমিকদের হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দু’জন মারা গেছে। এ ছাড়া আরও অনেক আক্রান্ত হয়েছে। এই গরমের মধ্যেও চা-শ্রমিকদের একাধিক শিফটে কাজ করানো হচ্ছে। তাদের সকাল ও বিকেলে কাজ করার সুযোগ করে দিলে ভালো হবে। চা-শ্রমিকেরা পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের দিক থেকে এমনিতেই অনেক দুর্বল। অতি সহজেই তারা হিট স্টোক আক্রান্ত হয়।’শমশেরনগর ক্যামেলিয়া ডানকান হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. বাহা উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল রাতে আমাদের কাছে মৃত্যু অবস্থায় একজনকে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে, সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।’শমশেরনগর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন বলেন, ‘চা-শ্রমিক হিট স্ট্রোকে মারা যাওয়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। শ্রমিকেরা যদি সকালে কাজে আসে তাতেও আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলম ভূইয়া বলেন, ‘হিট স্ট্রোকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বেশির ভাগ মানুষ সচেতন নয়। হিট স্ট্রোকে হলে দ্রুত সময়ে বিপদ ঘটতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই শিশু থেকে বয়স্ক সবাইকে গরম থেকে সতর্ক থাকতে হবে।’ না হলে অতি মাত্রায় গরমে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা থেকে যায়।

  • ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনসহ আর্থিক সহায়তা দিলেন এস এম ইয়াকুব আলী

    ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনসহ আর্থিক সহায়তা দিলেন এস এম ইয়াকুব আলী

    ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনসহ আর

    যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার ১ নং রোহিতা ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনসহ নগদ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির নির্বাহী সদস্য ও সিটি প্লাজা, যশোর-এর স্বত্বাধিকারী এস এম ইয়াকুব আলী।

    আজ বৃহস্পতিবার (১লা জুন) বিকালে স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়ে এস এম ইয়াকুব আলী ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
    ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আনছার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভায় জনাব এসএম ইয়াকুব আলী বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্মকান্ড তুলে ধরেন এবং আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসাবে যাতে মনোনয়ন পেতে পারেন এজন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন।
    এ সময় সফরসঙ্গী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক আহাদুল করিম,যুগ্মআহ্বায়ক ও ওয়ার্ড মেম্বার ফজলুর রহমান, মেম্বার রফিকুল ইসলাম বুলু,ব্যবসায়ী আশিকুর রহমান,এবং স্থানীয়দের মধ্য উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা হাসান আলী, যুবলীগ নেতা মো:দেলোয়ার হোসেনসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ,কৃষক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    আলোচনা সভা শেষে সফরসঙ্গী এবং স্থানীয় মসজিদ ও ঈদগাহ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ ঈদগাহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং কমিটির হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির নির্বাহী সদস্য বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব আলহাজ্ব এস এম ইয়াকুব আলী।

  • হাওরের পথ ধরে হাসছে ফুল

    হাওরের পথ ধরে হাসছে ফুল

    হাওরের বাতাসে হেলেদুলে নাচছে হুরহুরে ফুল।

    দুপুরটা গ্রীষ্মেরই। তবে মোটেই উজ্জ্বল আর তপ্ত নয়। লাজুক মুখের মতো মেঘের ঘোমটা থেকে রোদ এক পলক উঁকি দিচ্ছে, আবার লুকিয়ে যাচ্ছে। মৌলভীবাজারের রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়ক ধরে যাওয়ার পথে এই দৃশ্য। পথ গেছে কাউয়াদীঘি হাওরের বুক ছুঁয়ে, কুশিয়ারা নদীর কাছে। মেঘ এসেছে মেঘের সময়ে, বৈশাখেই। টুপটাপ দুয়েক ফোঁটা বৃষ্টিও ঝরছে।
    ভারী বৃষ্টি নামেনি বলে হাওর এখনো শুকনো। হাওরে খেত থেকে বেশির ভাগ ধান কেটে নেওয়া হয়েছে। অগ্রহায়ণ-পৌষের নাড়া আদিগন্ত ধূসর করে রেখেছে। কিছু খেতে পাকা ধান এখনো আছে। বিচ্ছিন্নভাবে কাটা চলছে। কাটা ধানের আঁটি নিয়ে কেউ খোলায় ফিরছেন, কেউ বাড়ি।
    হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গানের আবহাওয়াই যেন চারপাশে, ‘হাওরের পানি নাইরে হেথায়, নাইরে তাজা মাছ/ বিলের বুকে ডালা মেলা, নাই রে হিজল গাছ।’
    একটা সময় হাওরের যেদিকে চোখ গেছে অথই পানি। জেলেদের জালে ধরা পড়েছে রুপালি মাছ। পানিতে কোমর ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছে হিজলগাছ। এ রকম কোনো পরম মুহূর্তেই জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন, ‘পৃথিবীর সব ঘুঘু ডাকিতেছে হিজলের বনে’। হাওরে এখনো পানির ঢেউ আসেনি। হিজলের বন নেই। তবু হিজল আর ঘুঘু তো আছেই।
    রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়কের পাশ ধরে হাওরপারের এই পথে কোনো মানুষের হাতের স্পর্শ ছাড়াই বসেছে রূপের পসরা। পথটির দুই পাশে কোথাও খোলা জায়গায়, কোথাও বাড়ির সীমানা ঘেঁষে কত রকমের যে ফুল ফুটেছে। কোনোটা চেনা, কোনোটা অচেনা। কোনো ফুলগুলো গ্রীষ্মের, কোনোটা বর্ষারও। সড়কের দীর্ঘ পথে এখানে-ওখানে মূর্তার বেতঝাড়ে ফুলের ইয়ত্তা নেই। যেন সাদা সাদা প্রজাপতি হাওয়ায় পালক মেলেছে।
    সড়কের পাশে কোথাও ফুটে আছে বরুণ ফুল। এই ফুলের আরও নানা নামে পরিচয়। শ্বেতপুষ্প, কুমারক, সাধুবৃক্ষ, শ্বেতদ্রুম, বৈন্যা। স্থানভেদে হয়তো আছে আরও কোনো নাম।
    বসন্তের মাঝামাঝি সময় থেকে বরুণ গাছে ফুল আসতে থাকে। ফুলে ফুলে গাছ ভরে যায়। মাসজুড়ে ফুলের বন্যা। উচ্ছ্বাসে ভাসতে থাকে গাছ। গাছটির পছন্দের আবাস আর প্রিয় ভূমি হচ্ছে হাওর-বাঁওড়, নদ-নদীর পাড়। বুকসমান পানিতেও এরা দিব্যি মানানসই, বেঁচে থাকতে পারে। কিছু গাছে ফুল ঝরে গেছে। এসেছে কতবেলের মতো গোলাকার ফল।
    সড়কের পাশে সংখ্যায় কম হলেও চোখে পড়ল বেশ কিছু হিজলগাছ। জলজ কাদা-পানিতেই জন্মেছে। এদের প্রাণশক্তি প্রবল। বন্যার পানি আর তীব্র খরাতেও টিকে থাকে। কয়েক মাস পানির নিচে ডুবে থাকলেও নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে পারে। তারা তো হাওরের জল-হাওয়াতে আছে। গাছ থেকে ফুল ঝরে পড়েছে। ঝালরের মতো ঝুলে আছে ফুলের লতাগুলো। রাতের অপেক্ষায় আছে কুঁড়ি। হিজলের ফুল গভীর রাতে ফোটে। সকাল হলে ঝরে যায়।
    হালকা গোলাপি রঙের এই ফুলের সৌন্দর্যের তুলনা অপ্রতুল। সকালে মাটিতে ঝরে থাকা ফুল লাল রঙের গালিচা তৈরি করে রাখে যেন। ফুলে আছে একধরনের মিষ্টি গন্ধ। দুপুর গড়িয়ে গেছে, কিন্তু সেই গন্ধ গাছের শরীরে জড়িয়ে ছিল। হিজলের ফুল ফোটে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে।
    সংখ্যায় কম হলেও চোঁখে পড়ল বেশ কিছু হিজলগাছ।
    সড়কের ঢালুতে এখানে-ওখানে ফুটেছে হুরহুরে ফুল। সাদা আর ম্যাজেন্টা রঙের মিশ্রণে ফুলটি বড্ড চোখকাড়া। বাতাসে হেলেদুলে নাচছে। বাতাস থামলে তারাও চুপচাপ। তাতে রূপ উপচে পড়ছে আরও। কত কাল ধরে যে আপন খেয়ালে হাওরপারে তারা আছে।
    বেগুনি রঙের বন্যা নিয়ে এসেছে জারুল ফুলও। টুকরো দ্বীপের মতো একেকটি বাড়ির সীমানায় গাছপালার ভিড়ে জারুলের এখন বাঁধনহারা হাসির সময়। একসময় হাওরপারেও প্রচুর জারুলগাছ ছিল। এখন কমে গেছে অনেক, তবে হারিয়ে যায়নি।
    সড়কের দুই পাশের ডোবায় অযত্ন-অবহেলার মধ্যেও সাদা-হালকা বেগুনি রঙের কচুরিপানার ফুল বন্যার মতো ভাসছে। কোমল রূপে চোখ জুড়িয়ে রায়।
    নাম না-জানা আরও কত যে ফুল এই হাওরের পথে!
    সন্ধ্যার মেঘমালা থেকে আসতে শুরু করেছে আকাশের এক কোনে কনে দেখা আলো। কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ। হাওরপারের ফুলগুলোর হাসি জুড়িয়ে দিচ্ছে সবার ক্লান্ত মন। ফুড়ফুড়ে হয়ে মানুষের চোখের চাড়নিতে।
  • শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

     

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    আজ বৃহস্পতিবার (১ জুন) দুপুরে যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তন (বিডি হল) এ আলোচনা সভা হয়।
    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুল হুদা, জেলা কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড.সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, লেখক ও গবেষক বেনজীন খান প্রমুখ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন,আওয়ামী লীগ বিএনপির চেয়ে অনেক প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হয়েও যতবার সুষ্ঠ নির্বাচন হয়েছে, ততবার জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনটির কাছে পরাজিত হয়েছে। আজকে যারা ক্ষমতায় তারা গণতন্ত্রকে জবাই করেছিল, আর জিয়াউর রহমান সেই জবাই করা গণতন্ত্রের গোরস্থানের ওপর থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাগান রচনা করেছিলেন।

  • ডিমলায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

    ডিমলায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

    দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত ও ডিমলা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    “রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তম চর্চার বিকাশের প্রয়াসে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
    বৃহস্পতিবার (১লা-জুন) উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে খগাখড়িবাড়ী বালিকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও পূর্ব ছাতনাই আদর্শ দ্বি-মূখী  উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করে।
    চূড়ান্ত পর্বে বিতর্কের বিষয়বস্তু ছিল দুর্নীতি দমনে প্রতিকার নয়, প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা। বিষয়বস্তুর পক্ষে অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে খগাখড়িবাড়ী বালিকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়। এতে শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন খগাখড়িবাড়ী বালিকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছাঃ তাজমিন আক্তার।
    বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, ডিমলা সরকারী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলাম, পশ্চিম ছাতনাই মহিলা কলেজের ইংরেজি প্রভাষক মোঃ মোসলেম উদ্দিন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সুব্রত কুমার রায়।
    প্রতিযোগিতা শেষে ডিমল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রভাষক মোঃ কামরুল আহসান লিজু এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান এর সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন, রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বাবু নীরেন্দ্র নাথ রায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ আয়শা সিদ্দীকা।
    অনুষ্ঠানে সুন্দরখাতা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আপরাইম আল মিসরি বাবলু, পূর্ব ছাতনাই আদর্শ দ্বি-মূখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামু, খগাখড়িবাড়ী বালিকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফা আক্তার লিজা, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর রেজা সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সবাই সচেতন হলেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে না পারলেও দুর্নীতিবাজকে ঘৃণা করে দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব। আর তাহলেই সুন্দরভাবে আমাদের এই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন দুর্নীতির কালো ছায়ার কড়াল গ্রাসে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই দুর্নীতি বিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে।
  • ট্রেনের নাম নীলফামারী এক্সপ্রেস’ করার দাবিতে ট্রেন আটকিয়ে মানববন্ধন

    ট্রেনের নাম নীলফামারী এক্সপ্রেস’ করার দাবিতে ট্রেন আটকিয়ে মানববন্ধন

     ‘নীলফামারী এক্সপ্রেস’ নামকরণ পুনর্বহালের দাবিতে ট্রেন আটকিয়ে মানববন্ধন করেছে নীলফামারীর সর্বস্তরের মানুষ৷ 
     বৃহস্পতিবার(১লা জুন) দুপুর ১২ টায় জেলা শহরের পুরাতন রেল স্টেশনে দ্বিতীয়  দিনের মত ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়।
     এতে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কান্তিভূষণ কুন্ডু। নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোর্শেদ আজম, জেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেইফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাসেল আমিন প্রমুখ৷
    বক্তারা বলেন, গত ২৯ মে বাংলাদেশ পশ্চিমাঞ্চল রেলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ স্বাক্ষরিত চিঠিতে নতুন ট্রেনের নাম প্রস্তাব করা হয় ‘নীলফামারী এক্সপ্রেস’। ৩০ মে রেলপথ মন্ত্রণালয় ‘চিলাহাটি এক্সপ্রেস’ নাম চূড়ান্ত করে রেলওয়ে দপ্তরকে চিঠি দেয়। তাঁরা এর প্রতিবাদ জানান। প্রস্তাবিত নাম অনুযায়ী তাঁদের জেলার নামে ওই ট্রেনের নামকরণ চান।
    বক্তারা বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, উত্তরের জেলা কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা চলাচলকারী ট্রেনের নাম ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’, লালমনিরহাট থেকে ঢাকা চলাচলকারী ট্রেনের নাম ‘লালমনি এক্সপ্রেস’, রংপুর থেকে ঢাকা চলাচলকারী ট্রেনের নাম ‘রংপুর এক্সপ্রেস’, পঞ্চগড় থেকে ঢাকা চলাচলকারী ট্রেনের নামকরণ হয়েছে ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’। একইভাবে নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী ট্রেনের নামকরণ ‘নীলফামারী এক্সপ্রেস’ নামটি যৌক্তিক। একই সঙ্গে তাঁরা নতুন ট্রেনে নীলফামারী জেলাবাসীর জন্য ৮০ শতাংশ আসন বরাদ্দ করার দাবি জানান।
    এদিকে, মানববন্ধন চলাকালীন সময়ে চিলাহাটিগামী একটি আন্ত:নগর ট্রেন আসলে, ওই ট্রেনটিকে আটকিয়ে ট্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে ও রেললাইনে শুয়ে বিভিন্ন স্লোগান  দিয়ে নীলফামারী এক্সপ্রেস নামকরয়ান পুন:বহাল রাখার দাবি তোলে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা৷
    স্থানীয়রা জানান, “মানববন্ধন কারীরা একটি ট্রেন দীর্ঘক্ষন সময় ধরে আটকিয়ে ট্রেনের সামনেই শুয়ে পরে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম নীলফামারী এক্সপ্রেস এর দাবী করেন৷ পরে যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে ট্রেনটিকে ছেড়ে দেয়৷
    ট্রেনটি, চিলাহাটি থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে বেলা ৩টা ১০ মিনিটে। সপ্তাহে শনিবার বাদে ছয় দিন নিয়মিত চলাচল করবে। ঢাকা থেকে বিকেল সোয়া চারটায় ছেড়ে চিলাহাটি পৌঁছবে রাত পৌনে দুইটায়। ট্রেনের আসন সংখ্যা ৭৯২টি। চিলাহাটির পর বিরতি রয়েছে ডোমার, নীলফামারী, সৈয়দপুর, পার্বতীপুর, জয়পুরহাট, সান্তাহার, ঈশ্বরদী বাইপাস ও বিমানবন্দর স্টেশনে।
  • কমলগঞ্জে কমলকুঁড়ি পত্রিকার একযুগ পূর্তি ও গুণীজন সন্মাননা প্রদান 

    কমলগঞ্জে কমলকুঁড়ি পত্রিকার একযুগ পূর্তি ও গুণীজন সন্মাননা প্রদান 

    তৃণমূল সাংবাদিকতার অঙ্গিকার নিয়ে পিন্টু দেবনাথ এর সম্পাদনায় ও প্রকাশনায় ” কমলকুঁড়ি ” পত্রিকার একযুগ পূর্তি ও ১৩ তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনাসভা, গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (৩১ মে) রাত ৯টায়  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পাক্ষিক কমলকুঁড়ি পরিবার আয়োজিত  অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত  ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান।  কমলকুঁড়ি পরিবারের সদস্য ও প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ এর সভাপতিত্বে ও  সাংবাদিক  শাব্বির এলাহীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত  ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, ভানুগাছ পৌর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সানোয়ার হোসেন।
    অনুষ্ঠানে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক পিন্টু দেবনাথ।
    অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুব্রত দেবরায় সঞ্জয়,  সহকারি অধ্যাপক সেলিম আহমেদ  চৌধুরী, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা স্কাউট সম্পাদক মোশাহীদ আলী প্রমুখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক,  কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল এস পলাশ, যুগ্ম সম্পাদক আহমেদুজ্জামান আলম, সহকারি শিক্ষক আজিজুর রহমান,  সাংবাদিক আর কে সোমেন, মো. মোনায়েম খান, সালাউদ্দিন শুভ,  রুহুল ইসলাম হৃদয়, সাদিকুর রহমান সামু,  আশরাফ সিদ্দিকী পারভেজ, আব্দুস সালাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাজেন কৈরী সহ আরো অনেকে।

    সভার শুরুতে অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল ও উত্তরীয় পরিধান করিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে কেক কেটে  কমলকুঁড়ি পত্রিকার ১৩ বছরে পদার্পণকে স্বাগত জানিয়ে শুরু হয় গুণীজন সম্মাননা অনুষ্টান।

    প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কমলগঞ্জের ৪ গুনী ব্যক্তিকে কমলকুঁড়ি পদকে ভুষিত করা হয়।মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখায়  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, সমাজসেবায় ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, গবেষণায় আহমদ সিরাজ ও সাংবাদিকতায় মুজিবুর রহমান রঞ্জুকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান অনূভুতি ব্যক্ত করে বলেন, কমলকুঁড়ি আজ আমাকে যে সম্মাননা দিয়েছে আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করলাম। এজন্য সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও পত্রিকার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • পাঁচবিবিতে তীব্র তাপদাহে ক্লান্ত পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে শরবত বিতরন

    পাঁচবিবিতে তীব্র তাপদাহে ক্লান্ত পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে শরবত বিতরন

    মোঃ বাবুল হোসেন, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে তীব্র তাপদাহে ক্লান্ত পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে শরবত বিতরণ করা হয়েছে। ।
    পাঁচবিবি উপজেলা কসমেটিকস দোকান মালিক সমিতি উদ্যোগে বৃহস্প্রতিবার দুপুরে দিন ব্যাপী চুড়িপট্টি এলাকায় আগত পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে গুড় ও লেবুর তৈরী শরবত বিতরণ করেন তারা।
    তাদের এমন উদ্যোগকে প্রশংসা ও সাধুবাদ জানিয়ে বাজার করতে আসা সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আকতার শিল্পী বলেন, প্রচন্ড রোদে আমরা যারা বাজার করতে এসে শরীর ঘেমে লবনাক্ত পানি বের হওয়ার কারনে কøান্তিবোধ করছি, এসময় ব্যবসায়ীরা শরবত পান করিয়ে আমাদের তৃষ্ণা মেটালেন এটি একটি প্রশংনীয় কাজ।
    অপর পথচারী বলেন, প্রচন্ড খরা আর তাপদাহে আমাদের মত ক্লান্ত মানুষদের শরবত পান করালেন এ কার্যক্রম যেন অন্য ব্যবসায়ী সমিতিও করেন। তাহলে মানুষ একটু হলেও স্বস্তি পাবে।
    কসমেটিকস ব্যবসায়ী নয়ন চন্দ্র, ও বাবুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, যারাই বাজারে কেনা কাটার জন্য আসছেন তারা প্রচন্ড গরম ও তাপদাহের কারনে তৃষ্ণাত্ব হয়ে যাচ্ছে। তাদের তৃষ্ণা মেটাতেই আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
    পাঁচবিবি উপজেলা কসমেটিকস মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের চুরিপট্টি এলাকায় প্রচন্ড রোদের মধ্যে যারা কেনা কাটা করার জন্য আসছে তারা তীব্রতাপদাহের কারনে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। একারনে আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে ক্লান্ত পথচারীদের শরবত খাওয়াচ্ছি। এতে তারা খুব খুশিও হচ্ছে।

  • বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন

    বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন

     

    “তামাক নয়,খাদ্য ফলান”- এই স্লোগান নিয়ে সারাদেশের ন্যায় যশোরও পালিত হয়েছে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস।
    দিবসটি উপলক্ষে পোফ সংস্থা গতকাল বিকালে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
    পোফ-সংস্থার আয়োজনে, তামাক বিরোধী জোট ও wbb trust-এর সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক হাসান হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
    এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. প্রশান্ত দেবনাথ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত দাস।এছাড়া আরও উপস্থিত সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী ও মাঠ পর্যায়ের শতাধিক সদস্য।
    সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন,তামাকের কর বৃদ্ধি,ই-সিগারেট নিষিদ্ধকরণ ও তামাক চাষ নিয়ন্ত্রনের জন্য সরকার ও বেসরকারিভাবে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি আর তা না হলে যুবসমাজ যেমন ধ্বংস হবে তেমনি ক্যান্সার,যক্ষ্মা,হার্টের অসুখসহ অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পরিবার ও সমাজের বোঝা হিসাবে বিশাল একটি জনগোষ্ঠী দেশের কাঁধে ঝুলবে।

  • চরফ্যাশনে জাল দলিল দিয়ে বাড়ি দখলের পাঁয়তারা

    চরফ্যাশনে জাল দলিল দিয়ে বাড়ি দখলের পাঁয়তারা

    ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা ২নং ওয়ার্ড ফরাজি বাড়ির ৫৮ শতাংশ জমি জাল দলিল করে দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আবদুল মান্নান মাস্টার গংসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও কাগজপত্র থেকে জানা যায়, এই জমির প্রকৃত মালিক চরফ্যাশন পৌরসভার কর্মচারী মো. শাহে আলম ফরাজী গং। দক্ষিণ ফ্যাশন মৌজায় দাতা আরব আলী ওস্তা থেকে ০৫ মে ১৯৩৭ইং তারিখের ২২৭০ নং দলিলে ১.৬০ শতাংশ জমি খরিদ সূত্রে মালিক হন মকবুল আহমেদ ফরাজী। তার মৃত্যুর পর আর এস ১০ ও এস এ ৮ খতিয়ানে বাবার ওয়ারিশ সূত্রে এই জমির মালিক হন ছেলে সামছল হক ফরাজী। তার মৃত্যুর পর ১৭৩০ নং নামজারি খতিয়ানের রেকর্ডে বাবার ওয়ারিশ সুত্রে এই জমির মালিক হন ছেলে আনছল হক ফরাজী, আবু তাহের ফরাজী ও শাহে আলম ফরাজী গং। দীর্ঘদিন যাবত শাহে আলম গং একটি বসতঘর, সুপারি বাগান ও বিভিন্ন গাছগাছালিসহ উক্ত বাড়ি ও জমি ভোগদখলে আছে। কিন্তু স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের ছত্রছায়ায় গত কয়েকদিন যাবত প্রতিপক্ষ আবদুল মন্নান মাস্টার গং একটি জাল দলিল দেখিয়ে প্রকৃত মালিক শাহে আলম ফরাজী গংদেরকে এই বাড়ি থেকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে ভয়ভীতি, হুমকিধানকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।

    অভিযুক্ত আবদুল মান্নান মাস্টার যে দলিল দেখিয়ে জমি দাবি করছেন সে দলিল সংগ্রহ করে দেখা যায়, তার জাতীয় পরিচয় পত্র ও কালিয়াকান্দি কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতার এমপিও সীটে লিপিবদ্ধ জন্ম তারিখের প্রায় দুই বছর পূর্বে এই দলিল সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ আবদুল মান্নান মাস্টারের জন্ম হয়েছে ২১ আগষ্ট ১৯৬৩ইং আর জমির দলিল সম্পন্ন হয়েছে ১০ জুন ১৯৬১ইং তারিখে। তাছাড়া তার দলিলের দাতা তার জীবদ্দশায় বিক্রিত কোনো জমির দলিলে স্বাক্ষর দেয় নি টিপসই দিয়েছেন কিন্তু এখানে দেখা যায় মান্নান মাস্টারের দলিলে দাতার স্বাক্ষর দেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবদুল মান্নান মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে জানা যায়, দলিল জালিয়াতির মামলার ভয়ে সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাই তার বক্তব্য সংযুক্ত করা যায়নি।

    ভুক্তভোগী শাহে আলম ফরাজী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দলিল যার জমি তার। প্রধানমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী আপনারা দেখুন প্রকৃত কাগজপত্র কার আছে। তিনি আরও বলেন, চরফ্যাশন সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে আমরা মামলা দায়ের করেছি যার মামলা নং ৩৫৫/২৩। এবং চরফ্যাশন থানায়ও অভিযোগ করা হয়েছে।

    আদালতে মান্নান মাস্টার যদি তার মালিকানার সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে এই জমির প্রতি আমার কোনো দাবি নাই। আর যদি না দেখতে পরে তাহলে আমাদেরকে উচ্ছেদের হুমকি-ধামকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির দায়ে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি বলে জানান ভুক্তভোগী।

  • দিনাজপুরের শহরের একটি বসতবাড়ি থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

    দিনাজপুরের শহরের একটি বসতবাড়ি থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

    দিনাজপুরের পৌর শহরের ক্ষেত্রীপাড়া নামক এলাকা থেকে ৭২ বছর বয়সী মোঃ আজাদ শফিকুল আলম বাবু নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
    বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ তানভিরুল ইসলাম। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা সুত্র  জানায়, বুধবার (৩১ মে) দুপুরে মৃতের ছোট ভাই মো তারিকুল ইকবাল সবুজ, পিতা- মৃত মেহেরাব আলী, সাং- ষষ্টীতলা, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর থানায় গিয়ে জানায় যে, তাহার বড় ভাই মো: কালাম শফিকুল আলম বাবু (৭২) ক্ষেত্রীপাড়া সাকিনস্থ পৈতৃক বাড়ীতে একা বসবাস করিত। বাড়ীর কেয়ারটেকার জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে জানতে পারেন যে বেলা সারে ১১ টার সময় তার ভাই খাট হইতে পড়ে গিয়ে বমি করছিল তাকে খাটের উপর তুলিয়া উঠানোর পড়ে সে মৃত্যু বরন করেন। বিষয়টি জানার পর উক্ত মৃত্যু সংক্রান্তে থানায় একটি ইউডি মামলা রজু পূর্বক তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থল দিনাজপুর পৌর শহরের ক্ষেত্রীপাড়া বকুলতলা মোড়ের ৩০০ মিটার দক্ষিনে একটি বসতবাড়ি থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। থানার পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল প্রাথমিক সুরতহালের প্রতিবেদন শেষ করেন। এবং বিধি মোতাবেক মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য এম আঃ রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেন।
    তবে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানায় কোতোয়ালী থানা সুত্র।
  • ব্রেস্ট ক্যান্সার আক্রান্ত মালতী বাঁচতে চায় 

    ব্রেস্ট ক্যান্সার আক্রান্ত মালতী বাঁচতে চায় 

    ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত ৩০ বছর বয়সী মালতী রানী রায় রোগ থেকে মুক্তির জন্য সহযোগিতা চান। দুই সন্তানের জননী মালতী রানী রায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের অতিদরিদ্র চা বিক্রেতা দিনেশ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।
    বাবা এবং স্বামীর সংসার অতিদরিদ্র হওয়ায় মালতী রানী রায় বাসাবাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু গত এক বছর ধরে তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছেন। মালতী রানী রায় রোগ মুক্তি লাভ করে সুস্থ হয়ে বাঁচতে চান। ১২ বছর ও চার বছরের দুই ছেলে রয়েছে মালতী রানী রায়ের। বাসা-বাড়িতে কাজ করে মালতী তার নিজের সংসারে সহযোগিতা করতেন।
    ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মালতী রানী রায় কাজ করতে পারছেন না। ভয়াবহ এই রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় চিকিৎসা খরচ মিলাতে পারছে না মালতী রানী রায়ের স্বামী। যার কারণে তিনি বাঁচার জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের বিত্তবান লোকদের সহযোগিতা চান।
    মালতী রানী রায় জানান, দীর্ঘ এক বছর ধরে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি। মালতী রানী রায় বাসাবাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি কাজ করতে পারছেন না। গত মাসে সমাজসেবা অধিদপ্তর এর চিকিৎসা সেবা ফান্ড থেকে এককালীন ৫০ হাজার টাকায় কোনভাবে চিকিৎসার ব্যয় বহন করছেন। ক্যান্সার চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না। তার অপারেশন ও চিকিৎসার জন্য আরও টাকার প্রয়োজন।
    তিনি জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ স্বপন কুমার নাথ তার চিকিৎসা করছেন। বাড়ির গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, ছাগল ও গাছ বিক্রি করে ক্যান্সার প্রতিরোধক ১০টি থেরাপি সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসক বলেছেন, ব্রেস্ট ক্যান্সার আক্রান্ত স্থানটি দ্রুত অপারেশন করতে হবে, তা নাহলে নতুন করে আবার ক্যান্সার ছড়িয়ে পরতে পারে। সেই সাথে বলেছেন এ অপারেশন বাংলাদেশ হবে না ভারতে করতে হবে।
    ব্রেস্ট অপারেশন ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য মালতী রানী রায় বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন। যদি কোন বিত্তবান হতদরিদ্র মালতী রানী রায়কে সাহায্য করেন, তাহলে তার অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। রোগীর সঞ্চয়ী ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ০১০২৬৭২৮ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, ডিমলা শাখা, নীলফামারী এবং বিকাশ নম্বর ০১৭৮৩২৩৪১১৩ দেওয়া হলো।
  • চবিতে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে

    চবিতে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ আবারও সংঘর্ষে জড়ালো। বুধবার (৩১ মে) রাত সোয়া ১০টার দিকে শাখা ছাত্রলীগের দুই উপগ্রুপ সিএফসি আর সিক্সটি নাইনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    জানা গেছে ঢাকা হোটেলে খাবার খেতে গিয়ে দুই পক্ষের দুই কর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলমান রয়েছে। সিএফসির কর্মীরা শাহ আমানত হল ও সিক্সটি নাইনের কর্মীরা শাহজালাল হলের সামনে অবাস্থান করছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলমান রয়েছে।

  • নওয়াপাড়া পৌরসভার দুই কাউন্সিল ঘাট দখলে ব্যর্থ হয়ে ঘাটের সরদারকে হয়রানি

    নওয়াপাড়া পৌরসভার দুই কাউন্সিল ঘাট দখলে ব্যর্থ হয়ে ঘাটের সরদারকে হয়রানি

     

    যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার শিল্পনগরী নওয়াপাড়ার রাজঘাটে মাইলপোস্টে অবস্থিত মেসার্স ইয়াকুব আলী ফরিদপুর লিঃ নাহার ঘাট দখলের জন্য পায়তারা করছেন স্থানীয় নওয়াপাড়া পৌরসভার দুই কাউন্সিলর এই মর্মে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ বুধবার (৩১ মে) যশোর জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ভুক্তভোগী ঘাটের সরদার দেবাচার্য্য রায় এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
    সংবাদ সম্মেলনে নাহার ঘাটের সরদার বলেন, দীর্ঘ একযুগ যাবত তিনি নাহার ঘাটের সুনামির সাথে কাজ করছেন।কিন্তু ঐ ঘাটের উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে নওয়াপাড়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল ফারাজী অরফে রেজা ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিপুল শেখের।আর এজন্য তারা বিভিন্ন ধরনের ফন্দি আঁটতে থাকে।তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ এপ্রিল আকিজ এসেন্সিয়াল লিঃ ঘাট সুপারভাইজার ওবায়দুল রহমানকে পরিকল্পনা করে স্থানীয় লোকজন ডেকে এনে স্থানীয় থানা পুলিশ নিয়ে এসে আকিজ গ্রুপের এক ট্রাক ডিএপি সার চুরির মিথ্যা অভিযোগ দেয়। অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাইলে লম্বা ছুরি দিয়ে কাউন্সিলর বিপুল শেখ হত্যার চেষ্টা চালায় কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই।পুলিশ থানায় নিয়ে যায় এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়।
    সংবাদ সম্মেলনে ঘাটের সরদারজানান স্থানীয় কাউন্সিলর বিপুল শেখ একজন জোয়াড়ী
    ও রেজাউল ফারাজী গডফাদার ও চরমপন্থী দলের সক্রিয় সদস্য।
    তিনি আরও বলেন, গত ১৭ মে অভয়নগর থানার ইনচার্জ যশোর পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ দিলে গত ২৫ মে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খ-সার্কেল জনাব মুকিত সরকারের কার্যালয়ে তাকে ও বিবাদী পক্ষের রানা,রনি,সবুর ও সুমনের জবানবন্দি শুনে মৌখিকভাবে ঘাটে কাজ করার জন্য বলেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২৭মে কাজে গেলে কাউন্সিলর ও সন্ত্রাসীরা আমাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার হুমকি দেয়।
    তিনি আরও অভিযোগ করেন বিভিন্ন মোহল তাকে দিয়ে অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জনে ব্যর্থ হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছেন স্থানীয় দুই কাউন্সিলর।
    পরিশেষে তিনি সত্য উদঘাটন করে তাকে কর্মস্থলে ফিরে যেতে স্থানীয় সাংবাদিকসহ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
    সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকসহ নাহার ঘাটে কর্মরত শ্রমিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ৪ ছাগল চুর জনতার হাতে আটক

    ৪ ছাগল চুর জনতার হাতে আটক

    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগিবিল-চিৎলিয়া এলাকা থেকে ৩টি ছাগল চুরি করে সিএনজি চালিত অটো রিক্সা যোগে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক হয়েছে ৪ চোর। বুধবার (৩১ মে) দুপুর বেলা ২টায় ছলিমগঞ্জ-ভানুগাছ সড়কের শ্রীনাথপুর এলাকা থেকে আটক করে। পরে তাদের কমলগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আটককৃত চোরেরা হচ্ছে- রাজনগর উপজেলার ডেফলউড়া গ্রামের ছালামত মিয়ার ছেলে লিক্সন মিয়া (২৫), গড়গাঁও গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে শাবলু মিয়া (৩২), কামারচা গ্রামের আলকাছ মিয়ার ছেলে আল আমিন (২৬) ও ডেফলউড়া গ্রামের সিরাজ আহমদের ছেলে বেলাল আহমদ (১৬)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি ছাগল, ১টি সিএনজি চালিতঅটোরিক্সা, ১টি ছোরা ও ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • জয়পুরহাটে আলম খাঁ হত্যা মামলায় এক জনের ফাঁসি

    জয়পুরহাটে আলম খাঁ হত্যা মামলায় এক জনের ফাঁসি

    মোঃ বাবুল হোসেন, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি

    জয়পুরহাটে আলম খাঁ হত্যা মামলায় শাহিন নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

    এছাড়া মামলাটি আপোষের নামে টাকা নেওয়ার দায়ে মামলার বাদি আনজুয়ারাকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের
    বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ রায় দেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিন জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দীনের ছেলে। আর আনজুয়ারা একই গ্রামের আলম খাঁর স্ত্রী।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের আলম খাঁর কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা ধার নেন শাহিন। সেই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ২০০৬ সালের ২০ মে রাতে আলমকে বাড়ি থেকে ডেকে শাহিন তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

    সেখানে তাকে শ্বাসরোধ করে বাড়ির পাশে ফেলে রাখে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় ৬ জনকে আসামীকে করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

    এছাড়া অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় অন্য আসামিদের মামলা থেকে খালাশ দেওয়া হয়।