সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তারিক আনাম খান লেখেন, ‘খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের দেখা, অল্প কথা, একটাই কাজ ‘একসাথে আলাদা’। অত্যন্ত আধুনিক একটা ভাবনার গল্প। দুটি মানুষ কাছে থেকে কষ্ট পাওয়ার থেকে আলাদা হয়ে বন্ধু হয়ে থাকা যায় কি না, তারই এক আলেখ্য, কমেডির আবরণে।
আক্ষেপের সুরে এই অভিনেতা আরো লেখেন, ‘আমাদের একটা ধারাবাহিক পারিবারিক কমেডি করার কথা হচ্ছিল…তার আগেই সবাইকে কাঁদিয়ে কারিনা চলে গেল! হায়রে জীবন! দোয়া করি অনন্তলোকে কারিনা ভালো থাকুক।
লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় শুক্রবার ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কারিনা কায়সার। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সেখানে নেওয়া হয়েছিল। ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
মাত্র ৩১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান কারিনা। তিনি মা-বাবা ও দুই ভাই রেখে গেছেন। বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদ তার দাদি।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে জনপ্রিয়তা পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।


