টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এলজিইডি দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম খান এর বদলিতে স্বস্তিতে ঠিকাদারগণ, এলাকাবাসী ও অফিস স্টাফ। উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল নাগরপুর উপজেলায় চাকরির সময়ে ঘুষ, দূর্নীতি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মূল কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো বলে জানায় অনেক ঠিকাদার। বিগত সময়ের সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় চাকুরীকালীন সময়ে নারী সহ ধরা পড়ে পিটুনি খেয়ে বদলি হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও জুয়া ও মাদকসেবনের গুঞ্জন উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
শহিদুলের ঘুষ, দুর্নীতির মধ্যে মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এম আর আর আই ডি পি প্রকল্পের আওতায় ২টি রাস্তা কার্পেটিং না করে বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ। উপ-প্রকৌশলী শহিদুল উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব ও ঠিকাদার কাজ না করেই যোগসাজশে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা মেরে দিয়েছিল। এ ঘটনায় বৈশাখী টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রচারের পর দুদক তদন্ত করে এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি।
এ ছাড়াও মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানার কাজও বাদ পড়েনি শহিদুলের দুর্নীতি থেকে। সর্বোপরি উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল যতগুলো কাজ দেখাশোনা করেছে তার সবগুলোতেই কোন না কোন ঝামেলা রয়েছে। কথিত আছে, তাকে মোটা অংকের টাকা না দিলে কোন বিল হয় না। শহিদুলের দুর্নীতি, ঘুষ, অনিয়ম, অপরাধ, মিথ্যাচারে ঠিকাদার ও জনসাধারণ অতিষ্ঠ ছিল। অবশেষে এলজিইডি দপ্তর, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খানকে নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে বদলি করে লক্ষীপুরের কমলগঞ্জ অফিসে।
এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরেছে নাগরপুরের ঠিকাদার ও সাধারণ জনগণের মাঝে। তবে দীর্ঘদিন তার এ সমস্ত অপরাধের খেসারত বয়ে বেড়াতে হবে নাগরপুরবাসীকে। নাগরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী তোরাব আলী বলেন, বিধি মোতাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খানকে দপ্তর বদলি করেছে। দুদকের মামলা সহ তার সম্পর্কে নানা অপকর্মের কথা কেউ হয়তো উপর মহলে নালিশ করেছে। এসব জেনে হয়তো অফিস এমন সিন্ধান্ত নিয়েছে। তবে অফিস আদেশের বাইরে আমার পক্ষে কিছু বলা উচিত না।
