সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার এবং তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

শুক্রবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে দপ্তরটি।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত পূর্বধলা থানাধীন নারান্দিয়া ইউনিয়নের বৌলাম গ্রামে অভিযান পরিচালিত হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, নেত্রকোনার পরিদর্শক মো. আল আমিনের নেতৃত্বে একটি রেইডিং টিম এ অভিযান চালায়।

অভিযানে বৌলাম গ্রামের বাসিন্দা এলাল উদ্দিনের (৫৫) বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় তার দখলীয় উত্তর দুয়ারী সেমিপাকা ঘরের পশ্চিম পাশের কক্ষ থেকে সাদা সিনথেটিক ব্যাগে মোড়ানো চারশো গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃত এলাল উদ্দিন ওই গ্রামের মৃত শহর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে পূর্বধলা থানায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

একই দিন রাত ৮টার দিকে পূর্বধলা উপজেলার হিরণপুর বাজার এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়। মজিবর রহমানের বসতঘরের সামনে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে তিন যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- পূর্বধলার ইয়ারণ গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের কাজলের ছেলে মো. বাইজিদ রহমান ওভি (২৩), একই গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির (২৭) এবং গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরের দরিবলদা গ্রামের মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. রাসেল মোল্লা (২৭)।

এসময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, পূর্বধলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান। তিনি আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের রাতেই নেত্রকোনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share.

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ The Mail Bd.. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version