হায় শোভনা- তুমি কেবল আমার ভাবনাতেই ছিলে না, ছিলে হৃদয় শোভিত উদ্যানে। আফসোস! সেখানে থেকেও হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বুঝলে না। মহাজাগতিক রশ্মির মতো- তোমার যাবতীয় অন্ধ প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে আমিতো খুঁজেছি তোমার ঐ নগ্ন নির্জন হাত। কেবল এই নশ্বর সৃষ্টির ধূলোয় নয় খুঁজেছি তোমায় জীবনের বাঁকে বাঁকে, দিশেহারা হয়ে বারবনিতার নীড়ে।
তুমিতো দেখলে না আমার অতৃপ্ত আত্মার হাহাকার! শুনলে না, মনের রাশিরাশি বেদনার আহাজারি! হৃদয়হীনার মতো হায়…. হৃদয় নিয়ে কী অদ্ভুত খেলা করে গেলে।
দেখা যদি হয় ফের পরজন্মে চুম্বনে আর আলিঙ্গনে উষ্ণতা ছড়িও তোমার ঐ নরম ঠোঁটে, যেভাবে একদা শ্রান্ত করেছিলে আসামে,রসায়নে,করুণ বিকেলে! দু’হাত প্রসারিত করে, বেঁধো আমায় আরও একটু নিবিড়ে তোমার ঐ ভালোবাসার ডোরে।
হায়! আজও আমার হৃদয়ে বাজে, তোমার সেদিনের নির্লিপ্ত প্রস্থান, নিপাট,আপাদমস্তক নারীর ছল! পুনশ্চ : শোভনা দাশ, কবি জীবনানন্দ দাশের চাচাতো বোন। যাকে কবি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ” ঝরা পালক ” উৎসর্গ করেছিলেন। যাকে ঘিরে কবির জীবনে এবং সাহিত্য পাড়ায় ধোঁয়াশার শেষ নেই।
সেই রেশ ধরেই এই সামান্য কবিতাটি লেখার প্রচেষ্টা। ভালোবাসা নিবেন। কবি পরিচিতি: মো: শফিকুল ইসলাম সবুজ ইন্সট্রাক্টর(রসায়ন) ৩৮ তম বিসিএস (নন-ক্যাডার) নাগরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নাগরপুর, টাঙ্গাইল।
