নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের জন্য সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্গাপুর পৌর যুবদল। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্দেশনায় এবং পৌর যুবদলের নেতৃত্বে সোমবার (১৬ মার্চ) পরিচ্ছন্নতা অভিযান সম্পন্ন হয়।
দেখা যায়, পৌর যুবদলের নেতাকর্মীরা সবাই গায়ে সবুজ টি-শার্ট, মাথায় ক্যাপ এবং হাতে গ্লাভস পরে অত্যন্ত শৃঙ্খলার সাথে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বারান্দা, শৌচাগার, দরজা-জানালা ও দেওয়াল পরিষ্কার করেন। রোগীদের যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে ঝাড়ু দেওয়া থেকে শুরু করে জীবাণুনাশক দিয়ে মেঝে এবং ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে দেখা যায় তাদের।
জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের বিষয়ে কথা বলেন দুর্গাপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আল ইমরান সম্রাট গণি। তিনি বলেন, “জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় আমরা দুর্গাপুর পৌরসভা শাখার পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছি। তিনি যখন বিরোধী দলে ছিলেন, তখন দুর্গাপুর হাসপাতালের ভগ্নদশা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখেছিলেন। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর হাসপাতালটিকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন, যেন সাধারণ মানুষ এখানে এসে সঠিক সেবা পায়।”
সামনে বর্ষাকালীন ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সম্রাট গণি আরও বলেন, “আমাদের নেতা সবসময় বলেন কাজে বিশ্বাসী হতে। তার নির্দেশিত স্লোগান- ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, যুবদলের এমন পরিচ্ছন্নতার প্রভাব আগামী ছয় মাস পর্যন্ত থাকবে। তবে আমাদের এ কার্যক্রম এখানেই শেষ নয়।”
জানা গেছে, দুর্গাপুর পৌর যুবদলের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আগামী শনিবারগুলোতেও দুর্গাপুর পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের জনসচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন যুবদলের এই নেতা। যুবদলের এমন স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, তাদের স্বজন এবং স্থানীয় সচেতন মহল।র


