বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনার তালতলী উপজেলায় সরকারি বন্দোবস্ত পাওয়া এক একর জমিতে চাষাবাদ করতে গিয়ে বাধা, চাঁদা দাবি, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে তালতলী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নিজাম উদ্দিন হাং।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তালতলী উপজেলার ছোট নিশানবাড়ীয়া মৌজায় ২০০০-২০০১ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ভুক্তভোগী মো. নিজাম উদ্দিন হাং (৫০) ও তাঁর স্ত্রী মোছা. আনোয়ারা বেগমের নামে এক একর জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বন্দোবস্তকৃত জমির উন্নয়ন কর পরিশোধ করে নতুন সৃজিত খতিয়ানে জমিটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে জমির দখলও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, দখল বুঝে পাওয়ার পর থেকে তিনি ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাড়ির ভেতরের জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করতে গেলে মো. জলিল (৫০) ও তাঁর স্ত্রী মোছা. পারুল সেখানে গিয়ে চাষাবাদে বাধা দেন। এ সময় জমিতে কাজ করতে হলে চাঁদা দিতে হবে বলেও দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় জীবননাশের হুমকি দেন। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. নিজাম উদ্দিন হাং বলেন, “সরকারের কাছ থেকে নিয়ম অনুযায়ী বন্দোবস্ত পাওয়া জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি।
বর্তমানে জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে বাধা ও হুমকির শিকার হচ্ছি। আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা চাই।” এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী তাঁর লিখিত আবেদনে সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাইয়ের পর সংবাদ প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।


