বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা আয়োজনে খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। আতশবাজির বর্ণিল আলোকচ্ছটায় নতুন বছরের প্রথম প্রহর আলোকিত হয়ে ওঠে। সময়ের তারতম্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেশভেদে আলাদা আলাদা সময়ে মধ্যরাতের আগে নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতি প্রথম স্থান হিসেবে ২০২৬ সালে প্রবেশ করে। এরপর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে আতশবাজির আলোকচ্ছটায় খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। জাঁকজমকপূর্ণভাবে চীনে নতুন বছর উদ্যাপন করা হয়ছবি: রয়টার্স
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নানা আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে। সম্প্রতি বন্ডাই সৈকতে বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে হতাহতের ঘটনা স্মরণ করে সিডনি হারবার ব্রিজে আলোকসজ্জার মাধ্যমে শান্তি ও একতা লেখা প্রদর্শন করে শান্তির বার্তা দেওয়া হয়। এ সময় আতশবাজি ফোটানো হয়। সেখানে অসংখ্য মানুষ জমায়েত হন।
এ সময় কয়েক হাজার সশস্ত্র পুলিশ শহরের রাস্তায় টহল দেয়। অস্ট্রেলিয়ায় এ ধরনের দৃশ্য বিরল। মূলত বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে নববর্ষ উদ্যাপনছবি: রয়টার্স
জাঁকজমকপূর্ণভাবে চীনে নতুন বছর উদ্যাপন করা হচ্ছে। রাজধানী বেইজিংজুড়ে ঢাকের বাদ্য শোনা যাচ্ছে। লোকজন শহরের একটি বড় মন্দিরের সামনে জড়ো হন। আলোকসজ্জার কারণে তাঁদের ওপরে আলো ঝলমল করছিল। এ ছাড়া জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নানা আয়োজনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করা হচ্ছে।

