জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মদিনাতুল উলুম মডেল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক ছাইদুর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ মে) সকালে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ তাকে আটক করে। অভিযুক্ত ছাইদুর রহমান উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সাকোঁয়া পাড়া গ্রামের জুরান আলী মিস্ত্রির ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু (৯) উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের লংকার গ্রামের দিনমজুর আ. খালেকের মেয়ে। সে সাকোঁয়া পাড়া মদিনাতুল উলুম নূরানি মডেল মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
গত ২৬ এপ্রিল (রবিবার) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক সাইদুর রহমান ওই শিক্ষার্থীকে নিজের বাড়ির ভেতরে দক্ষিণ দুয়ারী বসতঘরের কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক কোলে তুলে খাটের ওপর শুইয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় হঠাৎ দমকা বাতাসে ঘরের দরজা খুলে গেলে সাইদুর রহমান ভয় পেয়ে ঘরের এক কোণে সরে যান। এ সুযোগে শিশুটি দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের বাড়িতে পালিয়ে যায় এবং তার মাকে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে।
ঘটনাটি জানার পর পারিবারিকভাবে আলোচনা শেষে রবিবার (৩ মে) শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আজ (সোমবার) সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে।
এ বিষয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল খালেকের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে আজ সকালে আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে তাকে জামালপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”



