Site icon দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য—যেখানে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ সবাই নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে দেশবাসীর প্রতি সালাম জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল।” তিনি স্মরণ করেন ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের কথা।
তারেক রহমান বলেন, “যেভাবে একাত্তরে স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ—কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দল-মত-নির্বিশেষে—৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায় এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেখতে চায়। “মানুষ চায় যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার,”—বলেন তিনি।
দেশের বৈচিত্র্যের কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “এই দেশে পাহাড়ের মানুষ আছে, সমতলের মানুষ আছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই—যেখানে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারে।”
তারেক রহমানের এ বক্তব্যে সংবর্ধনাস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও আশাবাদ লক্ষ্য করা যায়। নিরাপদ রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারকে কেন্দ্র করে বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বার্তার স্পষ্ট দিকনির্দেশনা উঠে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Exit mobile version