Site icon দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

পাঁচবিবিতে এতিমখানাকে টার্গেট করে প্রতারণার নতুন ফাঁদ ?

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) উপজেলা সংবাদদাতাঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিভিন্ন হাফেজী ও এতিমখানাকে টার্গেট করে একটি প্রতারকচক্র প্রতারণার নতুন ফাঁদ পেতেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে । গত ঈদুল ফিতরে সৌদি সরকার কর্তৃক উপজেলার ৭১টি কওমি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত গরীব অসহায় ও এতিম শিশুদের মাঝে খেজুর বিতরণ করা হয়। এই খেজুর পেয়েছে কিনা এমন সংবাদ জানতে চেয়ে নিজেকে সরকারী অফিসের লোক পরিচয়ে ০১৭৮১৯১৭২৪৭ নম্বর থেকে বিভিন্ন এতিমখানার মোহাতামিম বা পরিচালকদের ফোন করছেন অজ্ঞাত পরিচয়ধারী ব্যক্তি ।

সেই সাথে উক্ত এতিমখানার নামে সরকারী ভাবে আরো ৩০ হাজার ৫ শ টাকা বরাদ্ধ হয়েছে জানিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার অথবা বিকাশ নাম্বার দিতে বলেন। পরে এতিমখানার মাদ্রাসার পরিচালকরা বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প অফিসে জানালে তারা এটি প্রতারকচক্রের নতুন ফাঁদ বলে তাদের জানান।

উপজেলার দরগাপাড়া এতিমখানার পরিচালক মাওলানা সাইফুল ইসলাম ও নিলতাপাড়া এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা আবুল বাশার বলেন, ঐ মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে নিজেকে সরকারী অফিসের লোক পরিচয় দিয়ে রমজানে খেজুর পেয়েছি কিনা জিজ্ঞেস করেন এবং আরো ৩০ হাজার ৫ শ টাকা বরাদ্ধ হয়েছে বলে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার, বিকাশ নাম্বার ও মাদ্রাসার নাম তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে চান।

মাওলানা সাইফুল ইসলাম আরো বলেন, পরে ফোনে কি যেন কোড গেছে কিনা সেটি জানতে চাইলে আমার সন্দেহ হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প অফিসে জানালে তারা এটি ভূয়া বলে তাদের বলেন। এবিষয়ে ঐ নম্বরে মাদ্রাসার পরিচালক পরিচয়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি একই ভাবে খেজুর ও টাকা বরাদ্দের কথা বলেন। আপনি কোন অফিস থেকে বলছেন জিজ্ঞেস করলে প্রথমে সরকারি অফিসের কথা বললেও পরে তিনি ফোনটি কেটে দেন।

তবে নম্বরটির ট্রু কলারে দেখা যায়, সেটি BMTTI নামে ও হোয়াটসঅ্যাপে গণপতি বাংলাদেশ নামে সেভ করা করা আছে । উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু বকার সিদ্দিক বলেন, উপজেলায় সরকারীভাবে এরকম কোন বরাদ্ধ আসে নাই। আর সরকারী বরাদ্ধ আসলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কে চিঠি দ্বারা অবহিত করা হয়। ফোন দিয়ে যারা এরকম কথা বলছে তারা একটি সংবদ্ধ প্রতারকচক্র। এদের থেকে সাবধান হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান

Exit mobile version