নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানির পৃথক দুটি সফল অভিযানে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে নিখোঁজ হওয়া এক নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার ভিকটিম স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। আসা-যাওয়ার পথে প্রতিবেশী মো. রাতুল (২২) তাকে প্রায়ই প্রেমের প্রস্তাব দিত এবং উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি কিশোরীর বাবা জানতে পেরে রাতুলের পরিবারকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এরই জেরে গত ১২ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভিকটিমকে বাড়িতে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে রাতুল। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গত ২১ মার্চ কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই র্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানি ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামিকে ধরতে তৎপরতা বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর, ২৯ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী থানা এলাকায় র্যাব-১১ এর সিপিসি-১ এর সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ধর্ষক রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, র্যাব-১৪ এর আরেকটি আভিযানিক দল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে।
জানা যায়, গত ২৪ মার্চ কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর যাত্রাবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ডিএমপি পুলিশের পাশাপাশি র্যাব-১৪ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মেয়েটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরবর্তীতে ২৯ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ নাবালিকাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
র্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিসার জানান, উদ্ধারকৃত কিশোরীকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক রাতুলের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

