তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
সালেখ উদ্দিন মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্ত সংলগ্ন গাজিটেকা গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করে আসছিলেন এবং সেখানে পানির গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সালেখ উদ্দিন আজমান শহরে নিজের নিয়মিত কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ওই সময় চলমান সংঘাতের অংশ হিসেবে ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেখসহ আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালেখকে মৃত ঘোষণা করেন। সালেখের মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
সালেখের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম ও ছেলে আব্দুল হক বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) থেকেই আমরা খবরটি শুনছিলাম কিন্তু নিশ্চিত হতে পারছিলাম না। আজ রোববার দুপুরের দিকে দুবাইয়ে থাকা আমাদের এক আত্মীয় ফোনে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
আমরা শুনেছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে।’ বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সালেখ উদ্দিন আজমান শহরে পানির গাড়ি চালাতেন এবং শনিবার সন্ধ্যায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা নিহতের স্বজনরা মরদেহ দেখার জন্য বর্তমানে হাসপাতালের প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত রয়েছেন।’


