বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে টানা কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করায় শীতের আমেজ বেড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডার আমেজ বেশি থাকলেও রোদ উঠলে চারপাশ ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দিনে শীত তেমন থাকে না, তবে সন্ধ্যার পর থেকেই শীতের কাপড় ছাড়া বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। রাতে কম্বল ছাড়া ঘুমানো কষ্টকর।

কৃষক জসিম জানান, ‘দিনে রোদ থাকে বলে তেমন শীত লাগে না। কিন্তু সন্ধ্যার পরেই ঠান্ডা এমন পড়ে যে জ্যাকেট পরে না বের হলে ঠান্ডা লেগে যায়।’

গৃহিণী সুইটি বেগম জানান, ‘রাতে অনেক ঠান্ডা পড়ে। বাচ্চাদের কম্বল গায়ে জড়িয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। সকালে একটু শীত থাকে, তবে কুয়াশা প্রায় দেখা যায় না।’

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, ‘রাত বাড়লেই ঠান্ডা বাড়ে। সূর্য উঠলেই তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। আজ ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। এই মাসের শেষে হালকা শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে।’

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত সপ্তাহজুড়ে তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ছিল। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সাইমুজ্জামান বলেন, ‘শীতার্ত মানুষের জন্য সরকারিভাবে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও সহায়তা করছে।’

Share.

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ The Mail Bd.. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version