স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি ঁশিক্ষক দেলোয়ার হোসেন। তিনি গত ১০ ফেব্রুয়ারি এনটিআরসির মাধ্যমে ভৌতবিজ্ঞানে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। নিয়োগ হওয়ার পর কিছুদিন ক্লাস নেন তিনি। তারপর তিনি গ্রামের বাড়ি নাটোরে চলে যান। অদ্যাবধি তিনি দুই মাস যাবত তিনি বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। যার ফলে এই শিক্ষককে নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হামযা বলেন ঐ শিক্ষকে ফোন দিলে পাওয়া যায় না। তার বড় ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করছি। তখন তার ভাই বলেন তিনি নাকি বিদেশ চলে গেছেন। উনার এমপিও হলে উনি আসবেন। তবে আমরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠিয়েছি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল খালিক বলেন উনার এমপিও হয় নাই। জেলা শিক্ষা অফিসে আবেদন করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবক বলেন এভাবে শিক্ষকের বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির ফলে আমাদের ছেলে মেয়েদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দায়িত্ব জ্ঞানহীন এমন শিক্ষককে নিয়োগ না দেওয়াই ভালো। বিনা ডিউটিতে প্রবাসে থেকে সরকারি কোষাগারের সম্পদ আহরণ করতে যিনি এক পায়ে দাড়িয়ে আছেন। তাকে দিয়ে জাতি কি আশা করতে পারে। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারি পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন যাচাই বাছাই করে দেখছি উনি দেশে নেই। জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন এই বিষয়ে খবর পাইছি ডিলিট করে দেবো।
ব্রেকিং নিউজ
- বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সংগীতের সম্ভাবনা বাড়বে? আন্তর্জাতিক সংগীতজোটে হামিনের নতুন ভূমিকা
- ভাড়াটিয়ারা এখন হবেন মালিক: নাজিরপুর বাজার নিয়ে ডেপুটি স্পিকারের বার্তা
- সৌরবিদ্যুতে বড় উদ্যোগ, আসছে বিশেষ অধ্যাদেশ
- কিশোর গ্যাং ঠেকাতে সব উপজেলায় কমিটি
- সাদেক হোসেন খোকার উত্তরাধিকার, ইশরাক হোসেনের উত্থান
- জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ: শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
- নেত্রকোনায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন: সম্প্রীতি ও নির্বিঘ্ন আয়োজনের বার্তা বিভাগীয় কমিশনারের
- নেত্রকোনাবাসীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়: উন্নয়ন কাজের খোঁজ নিলেন বিভাগীয় কমিশনার


