মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে কৃষক ভর্তুকির কার্ড ইস্যুকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়া বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা সাদ্দাম হোসেন অবশেষে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে।
পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে তাঁর বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়নি। তাঁর দাবি, পুরো কথোপকথনের প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করে আংশিক অংশ প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না এবং তিনি সাংবাদিক সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
এছাড়াও সাদ্দাম হোসেন বলেন, কথোপকথনের সময় যদি আবেগের বশবর্তী হয়ে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে তাঁর মুখ থেকে এমন কোনো বক্তব্য বের হয়ে থাকে, যা সাংবাদিক বা অন্য কারও কাছে অসম্মানজনক বা কষ্টদায়ক মনে হয়েছে, তবে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। তিনি বলেন, তাঁর উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা ছিল না। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ করারও আশ্বাস দেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে যে কোনো তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত। এদিকে, কৃষক ভর্তুকির কার্ড বিতরণ নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই নানা আলোচনা ও অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও প্রকাশের পর একাধিক অনলাইন ও প্রিন্ট গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন বলেন,বিষয়টি আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি যেহেতু তারা একই গ্রামের বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই কথা চলছে ইনশাআল্লাহ আমরা উভয় পক্ষ নিয়ে বসে অচিরেই সমাধান করে দিব।


