ঢাকার কেরানীগঞ্জে গৃহবধূ আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার যুবক ইমাম হোসেন দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আজ ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে সীমা আক্তার ইমাম হোসেনের ভাড়া বাসায় দেখা করতে আসেন। এক পর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথাুকাটাকাটি হয়। সীমা আক্তারকে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে ইমাম হোসেন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এলাকাবাসীর সহায়তায় ইমাম হোসেনকে আটক করে। এসময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ সীমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।
নিহত গৃহবধূর নাম সীমা আক্তার (৪০)। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়কান্দি গ্রামের জলিল বেপারীর মেয়ে। তার স্বামী আক্তার হোসেন ফল ব্যবসায়ী।