নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে আগামী ১২ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ এবং ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এই কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করবে কমিশন।’
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে করতে চায় নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর।
এছাড়া, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচনের মধ্যে সামনে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, প্রায় ৫০০টি উপজেলা এবং সাড়ে চার হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন পদে নির্বাচন রয়েছে। ইসির প্রাথমিক পরিকল্পনায় ইউপি নির্বাচন দিয়েই এ ভোটপর্ব শুরু করার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, ‘দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যেটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।’
তিনি জানান, যদি এই সময়ের মধ্যে আইন পরিবর্তন না হয়, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা করা হবে।
শিগগিরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।


