ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাশন বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের লাইনম্যান মো. ওসমান গনির বিরুদ্ধে “বাংলার সংবাদ” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২০ মে ২০২৬ প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি ও তার পরিবার। একই সঙ্গে উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।
প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হলেও এর পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য, প্রমাণ কিংবা সরকারি তদন্ত প্রতিবেদনের উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি করেন ওসমান গনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংবাদটি অনুমাননির্ভর, মানহানিকর এবং দীর্ঘদিনের চাকরি জীবনের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। মো. ওসমান গনি বলেন, তিনি চাকরি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে কখনো কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবসরের প্রাক্কালে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এসব মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একজন চাকরিজীবীর একাধিক ব্যাংক হিসাব থাকা কোনো অপরাধ নয়। বেতন, সঞ্চয়, ব্যক্তিগত লেনদেন কিংবা প্রশাসনিক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাব খোলা হতে পারে। বিষয়টিকে দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা বিভ্রান্তিকর ও অযৌক্তিক।
সংবাদে তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যও অতিরঞ্জিত ও মনগড়া বলে উল্লেখ করেন ওসমান গনি। তিনি বলেন, পারিবারিক ও বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদকে অবৈধভাবে উপস্থাপন করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ওসমান গনির অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশকারী “বাংলার সংবাদ”এর সাংবাদিক মেহেদী হাসান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে পুনরায় সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংরক্ষিত আছে বলে জানান ওসমান গনি। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা অনুসরণ না করে একতরফাভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গ্রহণ ছাড়াই এমন সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী ও দুঃখজনক। মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে দ্রুত সংবাদটি প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন ওসমান গনি। অন্যথায় দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।



