প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ হলো ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। কিন্তু আমেরিকার কিছু নির্বোধ মানুষ বলে— আপনি কেন এমনটা করছেন? আসলে তারা নির্বোধ লোক।’
নি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ‘হয়তো আমরা খারগ দ্বীপ দখল করতে পারি, আবার নাও করতে পারি। আমাদের সামনে অনেক বিকল্প পথ খোলা আছে। সেখানে (খারগ দ্বীপে) কিছু সময় আমাদের অবস্থান করতে হতে পারে।’
দ্বীপটিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজেই এটি দখল করতে পারি।
প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন আরও সাড়ে তিন হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। সেখানে মার্কিন বাহিনী ইরানের হামলার মুখে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, পাকিস্তানি দূতদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে, তবে শিগগিরই কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না, সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, একটি চুক্তি বেশ দ্রুতই সম্পন্ন হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাক্ষাৎকারে ইরানের ‘ক্ষমতা বদল’—সংক্রান্ত ওয়াশিংটনের পরিকল্পনার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
তার দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে ইরানে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন যাদের সাথে আলোচনা করছি তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন একদল মানুষ। তারা অত্যন্ত পেশাদার।’
তিনি তার দাবির পুনরাবৃত্তি করে বলেন, খামেনির ছেলে মোজতবা—যিনি তার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন, তিনি হয় মৃত অথবা গুরুতর আহত।

