নিজস্ব প্রতিবেদক: আটপাড়ার হুততা হাওড়ে জলাবদ্ধতা: হাজার হাজার মণ ধানের ভবিষ্যৎ ফলন বিনাশের পথে
নিজস্ব প্রতিবেদক, আটপাড়া (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের কুলশ্রী,নীলকন্ঠপুর ও বাহাদুরপুর গ্রামের ‘হুততা হাওড়ে’ ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। পানি নিষ্কাশনের কোনো রাস্তা না থাকায় মাত্র দুই দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কয়েকশ একর ফসলি জমি। এতে আসন্ন মৌসুমে ঘরে তোলার অপেক্ষায় থাকা প্রায় হাজার-দুই হাজার মণ ধানের ফলন হওয়ার আগেই নষ্ট হতে চলেছে।
জলাবদ্ধতায় পচে যাচ্ছে থোড় আসা ধান সরেজমিনে দেখা যায়, হুততা হাওড়ের দিগন্তজোড়া ফসলি জমি এখন পানির নিচে। কৃষকরা জানান, বর্তমানে ধানের জমিতে যে অবস্থা, তাতে দ্রুত পানি না নামলে গাছ পচে যাবে এবং কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব হবে না। পানি বের হওয়ার স্বাভাবিক পথ বা ক্যানেল বন্ধ থাকায় এই কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রায় দুই হাজার মণ ধানের নিশ্চিত ফলন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কুলশ্রী,নীলকন্ঠপুর ও বাহাদুরপুর গ্রামের কৃষকরা স্থানীয় কৃষকদের দাবি, তারা হাড়ভাঙা খাটুনি আর চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই জমি আবাদ করেছেন। ধান আসার এই সময়ে জমি তলিয়ে যাওয়ায় তারা এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। কৃষকরা আক্ষেপ করে বলেন, “ধান হওয়ার আগেই যদি গাছ পচে যায়, তবে আমাদের সারা বছর না খেয়ে থাকতে হবে। পানি নামার একটু পথ থাকলে আমাদের এই সর্বনাশ হতো না।”
জরুরি ভিত্তিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলের দাবি হুততা হাওড়ের এই বিশাল পরিমাণ ফসলি জমি রক্ষা করতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যেন দ্রুত বিষয়টি নজরে নেন এবং জরুরি ভিত্তিতে পানি সরানোর জন্য অস্থায়ী নালা বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করেন। অন্যথায়, আটপাড়া উপজেলার এই অঞ্চলের কয়েকশ কৃষক পরিবার দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।
কুলশ্রী,নীলকন্ঠপুর ও বাহাদুরপুর গ্রামের সাধারণ কৃষকরা এই দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের কুলশ্রী,নীলকন্ঠপুর ও বাহাদুরপুর গ্রামের ‘হুততা হাওড়ে’ ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। পানি নিষ্কাশনের কোনো রাস্তা না থাকায় মাত্র দুই দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কয়েকশ একর ফসলি জমি। এতে আসন্ন মৌসুমে ঘরে তোলার অপেক্ষায় থাকা প্রায় হাজার-দুই হাজার মণ ধানের ফলন হওয়ার আগেই নষ্ট হতে চলেছে।
জলাবদ্ধতায় পচে যাচ্ছে থোড় আসা ধান সরেজমিনে দেখা যায়, হুততা হাওড়ের দিগন্তজোড়া ফসলি জমি এখন পানির নিচে। কৃষকরা জানান, বর্তমানে ধানের জমিতে যে অবস্থা, তাতে দ্রুত পানি না নামলে গাছ পচে যাবে এবং কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব হবে না। পানি বের হওয়ার স্বাভাবিক পথ বা ক্যানেল বন্ধ থাকায় এই কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রায় দুই হাজার মণ ধানের নিশ্চিত ফলন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কুলশ্রী গ্রামের কৃষকরা স্থানীয় কৃষকদের দাবি, তারা হাড়ভাঙা খাটুনি আর চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই জমি আবাদ করেছেন। ধান আসার এই সময়ে জমি তলিয়ে যাওয়ায় তারা এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। কৃষকরা আক্ষেপ করে বলেন, “ধান হওয়ার আগেই যদি গাছ পচে যায়, তবে আমাদের সারা বছর না খেয়ে থাকতে হবে। পানি নামার একটু পথ থাকলে আমাদের এই সর্বনাশ হতো না।”
জরুরি ভিত্তিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলের দাবি হুততা হাওড়ের এই বিশাল পরিমাণ ফসলি জমি রক্ষা করতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যেন দ্রুত বিষয়টি নজরে নেন এবং জরুরি ভিত্তিতে পানি সরানোর জন্য অস্থায়ী নালা বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করেন। অন্যথায়, আটপাড়া উপজেলার এই অঞ্চলের কয়েকশ কৃষক পরিবার দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।
কুলশ্রী গ্রামের সাধারণ কৃষকরা এই দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

