টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ও ধুবড়িয়ার ইউনিয়নের ২ টি রাস্তা খুবই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে জোর পূর্বক কাজ করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে, নির্মানাধীন রাস্তার গুলোতে গিয়ে নির্মান সামগ্রী দেখে এর সততার পাওয়া যায়।চলমান রাস্তার কাজ গুলো, ধুবরিয়া-চৌহালী আরডিএস রোডের কাচপাই-খাস ঘুনিপাড়ার আব্দুর রশিদ স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন মসজিদের সামনে থেকে খাষ ঘুনিপাড়া খেয়া ঘাট (জমসেদ মিয়ার বাড়ি) পর্যন্ত ৭০০ মিটার রাস্তা রুপসী বাংলা ঠিকাদার।এবং মাইজানী মাদ্রাসা থেকে নলসন্ধ্যা আরএইচডি ভায়া মাইলজানী প্রাইমারি স্কুলের সামনে দিয়ে ৬৫০ মিটার রাস্তার কাজ করছে মেসার্স মুন এন্টারপ্রাইজ।

এ রাস্তা দুটোতেই বালির পরিবর্তে বেলে মাটি, বেলে দোয়াস মাটি, খোয়ার পরিবর্তে রাবিশ ও পোড়া মাটি দিয়ে রাস্তার বেড তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও ইটের খোয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন ইটের স্থাপনার ভাঙ্গা, অধা পোড়া ইট ভাঙ্গা, রাবিশ, ইটখোলার চিমনির উচ্ছিষ্ট এসবই খোয়া বলে চালিয়ে দেয়ার হচ্ছে কাজ দুটোতেই।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বিভিন্ন সময় ঠিকাদারকে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের বিষয় বল্লেও এসব বিষয়ে কর্ণপাত করেনি ঠিকাদার। তারা আরো বলেন, এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলার এলজিইডি অফিসকে বলেছেন।এ বিষয়ে মেসার্স মুন এন্টারপ্রাইজের কাজ তরকারি মো. বাবুল জানায় কাজটি দীর্ঘদিন পড়েছিল, আগের রেটের সাথে বর্তমানে মালপত্রের দামের অনেক ব্যবধান।

আমার বাড়ির সামনের রাস্তা এটা, তাই লস হলেও কাজটি করছি।অপর দিকে রুপসী বাংলা এর ঠিকাদার মো. মোস্তফা বিভিন্ন লোকজনের পরিচয় দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক নেতারা বিভিন্ন ভাবে টাকাপয়সা নিয়েছে। কাজটি আমি বিক্রি করে দিয়েছি। এ কাজে আমার অনেক লস হবে। অনেক দিন আগের কাজ এটা।

তাই নির্মাণ সামগ্রী আগের দামের সাথে এখনকার দামের অনেক ব্যবধান। এছাড়া বর্তমানে ইট পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন না করার জন্য সংবাদকর্মী সহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন দিয়ে ফোন দেয়ান এবং উপঢৌকনের প্রস্তাব দেন।

উপজেলা এলজিইডি অফিসার বলেন, আমরা মানহীন মেটেরিয়াল ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাদের একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানিয়েছি। তারা কোন এসব তোয়াক্কা না করেই স্বেচ্ছাচারীভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন কাজ দুটো।টাঙ্গাইল জেলার এলজিআরডি এর নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ বিষয় দুটো নিয়ে আমি আগামীকালই পরদর্শন পূর্বক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ Themailbd.com. Designed by themailbd.com.
Exit mobile version