বুধবার, জুন ১২, ২০২৪

যশোরের ভৈরব নদে পাওয়া বস্তাবন্দি মৃতদেহের পরিচয় সনাক্ত

যা যা মিস করেছেন

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ

যশোরের বসুন্দিয়ার সদুল্লাপুর ভৈরবের নদে পাওয়া বস্তাবন্দি মরদেহ নিখোঁজ ইজিবাইক চালক ইমনের।
নিহত ইমন অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের আবুল কালামের ছেলে।
আজ মঙ্গলবার (৩০ শে এপ্রিল) সকাল ১১টায়

বস্তাবন্দি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ অজ্ঞাত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধারের পর পিবিআই নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইমনকে হত্যা করে তার ইজিবাইক ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। পরবর্তীতে ইমনের মরদেহ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দিয়ে চলে যায় তারা।

নিহতের পিতা আবুল কালাম জানান, গত ২৮ এপ্রিল ভোর ৬টায় ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় ইমন। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। ইজিবাইক স্ট্যান্ডে খোঁজ নিলে অন্য চালকরা জানায়, ইমনকে সবশেষে বসুন্দিয়ার দিকে ভাড়া নিয়ে যেতে দেখেছে তারা। এ ঘটনায় তারা অভয়নগর থানায় সাধারন ডায়েরি করেন। শেষমেষ আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশের কাছ থেকে ছেলের মৃত্যুর খবর তারা জানতে পেরেছেন।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল সাড়ে নয়টায় নদীর পাড় থেকে তারা প্রচন্ড দুর্গন্ধ পান। পরবর্তীকে তারা একটি বস্তায় ভরা এক যুবকের মৃতদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মুহুর্তের মধ্যে পুলিশ, পিবিআই, ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে যায়। পরবর্তীতে পিবিআই সদস্যরা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ইমনের কাছে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, গত ২৮ এপ্রিল নিখোঁজ হয় ইজিবাইক চালক ইমন। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় জিডি করা হয়। পরবর্তীতে এদিন সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ইমনের পরিবারের সদস্যরা এসে পরিচয় শনাক্ত করে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইজিবাইক ছিনতাই করতে হত্যা করা হয়েছে ইমনকে। পরে লাশ ফেলে দেয়া হয়েছে নদীতে।

অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।

প্রিয় পাঠক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্যামেইলবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন themailbdjobs@gmail.com ঠিকানায়।

More articles

সর্বশেষ