বুধবার, এপ্রিল ১০, ২০২৪

সরিষাবাড়ীতে সাবেক স্বামী দেবর কর্তৃক এক গৃহ বধুকে অপহরনের অভিযোগ

যা যা মিস করেছেন

মশিউর রহমান
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সুফিয়া (৫০) নামের এক নারীকে অপহরনের অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী- দেবর এর উপর।
উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রায় ১৫ দিনপর অপহত নারী উদ্ধার হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
তবে বর্তমান স্বামী চিকিৎসাধীন থাকায় থানায় কোন অভিযোগ করতে পারেনি।

অপহত সুফিয়া জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তার বর্তমান স্বামী মোঃ আব্দুল আজিজ ছকেট (৫০) কে গত ১৩ জানুয়ারী মারধর করে তার সাবেক স্বামী আব্দুল বারেক, দেবর আব্দুল খালেকসহ আট- দশজন লোকে। এর ফলে তাকে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তী করা হয়।

তার পরদিন সকালে স্বামীর চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়ে হাসপাতালের উদ্যেশ্যে বাড়ী থেকে বের হলে বাড়ীর পাশের ভুট্রা ক্ষেতের ভিতরে রাস্তা থেকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে অপহরন করে নিয়ে যায় তার সাবেক স্বামী ও দেবররা।
সেখান থেকে নিয়ে বিভিন্ন বাড়ীতে রাখে। বেশ কয়েকদিন ঘুরাঘুরির পরে আমার বাপের বাড়ী সিরাজগন্জে রেখে আসে।
সেখান থেকে আমাকে বর্তমান স্বামী বাড়ীতে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে সুফিয়ার বর্তমান স্বামী আব্দুল আজিজ ছকেট জানান, আমার ছেলে ও আমাকে মারধর করার পর আমি ও ছেলে দু জনেই হাসপাতালে। এর মধ্যেই পর দিন খবর পাই আমার স্ত্রীকে পাওয়া যাচ্ছে না। লোকমারফত অনেক খুজাখুজি করেও পাইনি। দীর্ঘ প্রায় ১২ দিন পর খবর পাই সে তার বাপের বাড়ীতে সেখান থেকে পরবর্তীতে আমি বাড়ীতে নিয়ে আসি।
বাড়ীতে আনার পর জানতে পারি তাবে অপহরন করা হয়েছিল। মারধরের ঘটনায় তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করছি কিন্তু অপহরনের বিষয়ে কোন অভিযোগ করিনাই।

এ বিষয়ে অভিযোক্ত আব্দুল বারেক বলেন, আমার সাবেক স্ত্রী সুফিয়া আমার সংসার ধংশ করে সংসারের সকল টাকা পয়সা আমার বিবাহিত মেয়েদের স্বর্নের গহনাসহ প্রায় আট থেকে দশ লাখ টাকা নিয়ে গেছে।
লোকলজ্জার ভয়ে আমি বাড়ীতেই থাকি আর তার বর্তমান স্বামীকে মারধর তাকে অপহরণ এসব কিছুই আমি জানিনা।

অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।

প্রিয় পাঠক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্যামেইলবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন themailbdjobs@gmail.com ঠিকানায়।

More articles

সর্বশেষ