মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪

গৌরীপুরে কলেজ ছাত্র ইয়াসিনের খুনিদের ফাঁসি চাইলেন সহপাঠীরা

যা যা মিস করেছেন

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শ্যামগঞ্জ হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির ১ম বর্ষের ছাত্র ইয়াসিন মিয়া ওরফে শরীফ (১৬) হত্যাকান্ডে জড়িতদের ফাঁসি দাবি করে মানববন্ধন করেছে তার সহপাঠীরা।

রবিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় উপজেলার স্থানীয় মনাটি বাজারে এ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। ছাত্র সমাজের আয়োজনে এ মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

ইয়াসিনের ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে এ মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন, নিহত ইয়াসিনের বাবা সবুজ মিয়া, মা শরিফা আক্তার, চাচা বাবুল মিয়া, ফুফু আসমা বেগম, সহপাঠী আশরাফুল সরকার, মোঃ মাসুম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত ২৫ অক্টোবর সকাল সোয়া নয়টার দিকে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের মনাটি গ্রামে কলেজ ছাত্র ইয়াসিন মিয়াকে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করে প্রতিবেশী এরশাদ মিয়া (৪৫)। এ হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে মূল ঘাতক এরশাদ মিয়াকে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে রক্তমাখা ছুরিসহ আটক করে গৌরীপুর থানার পুলিশ। এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা সবুজ মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন এরশাদ মিয়াকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত ৫ জনের নামে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান- ঘটনারদিন সকালে ইয়াসিন চুল কাটার জন্য স্থানীয় মনাটি বাজারে একটি সেলুনে যাচ্ছিল। এসময় মনাটি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় ইয়াসিনের বুকের বাম পাজরে অতর্কিতে ছুরিকাঘাত করে মৃত হাসিম মিয়ার ছেলে প্রতিবেশী এরশাদ মিয়া। পরে ঘটনাস্থল থেকে আহত ইয়াসিনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় কয়েকজন জানান- এরশাদ একজন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী। সে এলাকায় বিভিন্ন অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল। তার ভয়ে স্থানীয় লোকজন আতংকে থাকত।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহমুদুল হাসান জানান- এরশাদ মিয়ার মিয়ার বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ইয়াসিনের সহপাঠী আলপনা বলেন- ‘ইয়াসিন আমার একজন ভাল বন্ধু ছিল। তার স্বপ্ন ছিল সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক হবে। বন্ধুর এ নির্মম মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা। এই বলে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন তিনি।’

এদিকে ইয়াসিনের মৃত্যুতে শোকে হতবিহ্বল তার পুরো পরিবার। মা শরিফা আক্তার একমাত্র ছেলের বই-খাতা ও ব্যবহৃত অন্যান্য স্মৃতি আকড়ে ধরে প্রতিনিয়ত বিলাপ করছেন।

 

টিএমবি/এইচএসএস

অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।

প্রিয় পাঠক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্যামেইলবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন themailbdjobs@gmail.com ঠিকানায়।

More articles

সর্বশেষ