পেয়ার আহাম্মদ চৌধুরী, ফেনী জেলা প্রতিনিধি:
ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও লেহাঙ্গাসহ ৪ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ফেনী পলিটেনিক ইনিস্টিটিউট এর সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় মালামাল সহ পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যানটিও জব্দ করা হয়।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আটককৃত আসামিরা হলেন: ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পূর্ব মধুগ্রামের অজিউল হক চৌধুরীর ছেলে মো: নুরুল আলম চৌধুরী তুষার (২৮), একে এলাকার মৃত শরিয়ত উল্ল্যাহ’র ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন অভি(৩৫), আবুল বশর এর ছেলে (ঈদগাহ সংলগ্ন নতুন বাড়ী) শাহাদাৎ হোসেন(১৮), ও দক্ষিন আধার মানিক (শাহ আলম ড্রাইভার এর বাড়ী) আবু তাহেরের ছেলে আব্দুল হালিম(২৮)।
পলাতক আসামিরা হলেন: রাধানগর ইউনিয়নের মোকামিয়া এলকোর নুরে আলমের ছেলে মো: জাহাঙ্গীর আলম(৪০) ও চট্টগ্রাম সাতকানিয়া’র আব্দুল মজিদের ছেলে মুন্না(৩৫)।
পুলিশ সূত্র জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম ফেনী পলিটেনিক ইনিস্টিটিউট এর সামনে ছাগলনাইয়া গামী সন্দেহভাজন একটি সাদা রংয়ের কাভার্ডভ্যান থামিয়ে তল্লাশী করলে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৫১৫ পিস ভারতীয় শাড়ী ও ৭ লাখ ১২ হাজার টাকা মূল্যের ২৭০টি লেহেঙ্গা উদ্ধার করে।
এসময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকায় ছাগলনাইয়ার রাধানগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন অভি সহ ৪ জনকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে জব্দকৃত অবৈধ ভারতীয় শাড়ী ও লেহেঙ্গা ফেনী সীমান্তবর্তী এলাকার পলাতক আসামী জাহাঙ্গীর আলম ও মুন্না’র নিকট থেকে নিয়ে আসিতেছে।
আরো জানান, উদ্ধারকৃত অবৈধ ভারতীয় শাড়ী ও লেহেঙ্গা আটককৃত আসামি ও পলাতক আসামি পরস্পর যোগসাজশে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক/কর ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এনে ফেনী শহর ও চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন দোকানে বিক্রয় করে আসছে। ।
জেলা গোয়েন্দা শাখা’র পুলিশ পরিদর্শক শাহ্ মো: ফয়সাল আহম্মেদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এই বিষয়ে ফেনী মডেল থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য আটককৃত আসামি আনোয়ার হোসেন অভি রাধানগর ইউনিয়নের মোকামিয়া পূর্ব মধুগ্রাম ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, তার সহযোগি নুর আলম চৌধুরী তুষার, কাভার্ডভ্যান চালক শাহাদাত হোসেন ও চালকের সহযোগি আবদুল হালিম।


