স্টাফ রিপোর্টার ঃ জেলায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা পরি¯ি’তি দেখেছে মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে পাঁচ হাজার পরিবারের। এসব পরিবারের জন্য অনুদান হিসেবে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। সে হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবার ১০ হাজার টাকা করে পাবেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ভয়াবহ বন্যায় প্রতিটি উপজেলায় ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকের বাড়ি-ঘর তছনছ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন আগের অব¯’ায় যেতে পারেন, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সুনামগঞ্জের পাঁচ হাজার পরিবারের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ সদরসহ ১২টি উপজেলা প্লাবিত হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়েন ১৩ লাখেরও বেশি মানুষ। জীবন বাঁচাতে লক্ষাধিক মানুষকে বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রে। পানির চাপ এতটা ভয়াবহ ছিল যে বন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার ৪৫ হাজার ২৮৮টি বসতির ক্ষতি হয়েছে। অব¯’া বেশি খারাপ হওয়ায় এখনো অনেক মানুষ নিজের ঘরে ফিরতে পারেননি। বানভাসি এসব মানুষ দিশেহারা অব¯’ায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির তথ্য প্রকাশ করে জেলা প্রশাসন সুনামগঞ্জ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জেলার ১১টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভায় ক্ষতিগ্রস্ত বসত-ঘরের সংখ্যা ৪৫ হাজার ২৮৮টি। এর মধ্যে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৪৭টি। আংশিক ক্ষতি হয়েছে ৪০ হাজার ৫৪১টি। জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে তারা নগদ অর্থ দিয়ে বাড়িঘর মেরামত ও পুনর্বাসিত হতে পারেন
ব্রেকিং নিউজ
- বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সংগীতের সম্ভাবনা বাড়বে? আন্তর্জাতিক সংগীতজোটে হামিনের নতুন ভূমিকা
- ভাড়াটিয়ারা এখন হবেন মালিক: নাজিরপুর বাজার নিয়ে ডেপুটি স্পিকারের বার্তা
- সৌরবিদ্যুতে বড় উদ্যোগ, আসছে বিশেষ অধ্যাদেশ
- কিশোর গ্যাং ঠেকাতে সব উপজেলায় কমিটি
- সাদেক হোসেন খোকার উত্তরাধিকার, ইশরাক হোসেনের উত্থান
- জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ: শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
- নেত্রকোনায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন: সম্প্রীতি ও নির্বিঘ্ন আয়োজনের বার্তা বিভাগীয় কমিশনারের
- নেত্রকোনাবাসীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়: উন্নয়ন কাজের খোঁজ নিলেন বিভাগীয় কমিশনার


