...
বৃহস্পতিবার, মে ১৬, ২০২৪

নাগরপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই ৫ টি পরিবারের মাথাগোঁজার ঠাঁই (ভিডিও)

যা যা মিস করেছেন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ আগুন আজ কেঁড়ে নিয়েছে ৫ টি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই। টাঙ্গাইলের নাগরপুর সদর ইউনিয়নের পানান গ্রামে আগুন লে‌গে ৫ প‌রিবা‌রের ৮ টি বসতঘর, গরু-বাছুর, টিভি, ফ্রিজ, খড় সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই পুড়ে ছাই হ‌য়ে গে‌ছে।

১ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত আনুমানিক ৮ টা এর সময় পানান গ্রামে এ আগু‌নের সূত্রপাত হয়। এলাকাবাসীর ধারণা হয়তো রান্নাঘর বা মশার কয়েল থেকে সুত্রপাত হয়েছে এ আগুনের।

এ আগ্মিকান্ডে মৃত আনার আলীর ছেলে জলিল মিয়ার ৩ টি ঘর, প্রতী‌বেশী আলিমের ১ টি ঘর, নয়েনদির ছেলে বাবলু এর ২ টি ঘর, ইমারতের ছেলে নুরু মিয়ার ২ টি টি ঘর আগু‌নে ভস্মীভূত হ‌য়ে যায়। এছাড়াও গোয়াল ঘরের গাভী এ আগু‌নে দগ্ধ হয়েছে বলে জানা যায়।

এ ঘটনায় এখনো হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

ভুক্ত ভুগি জলিল মিয়া কান্না জড়িতকন্ঠে বলেন, আমার সব শেষ। এখন আমি কি নিয়ে বাঁচবো।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান, এ ঘটনায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে, নাগরপুর ফায়ারসার্ভিসের ধারণাও এর চেয়ে খুব একটা কমবেশি নয়। এমনটাই জানায় ষ্টেশন অফিসার।

এ ঘটনার খবর পেয়ে নাগরপুর ফায়ার সা‌র্ভিসের ট্রাক এসে বন্যার পানি ও রাস্তা খারাপ থাকায় ঘটনা স্থলে আগুন নির্বাপনের গাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলার ফায়ারসার্ভিস ষ্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান বলেন, আমরা খবর পে‌য়ে দ্রুত ঘটনাস্থ‌লে উপ‌স্থিত হয়েও আমাদের গাড়ি নিয়ে ঘটনা স্থলে গাড়ি নিতে পারিনি। একে তো বন্যার পানি অপর দিকে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী। তবে কষ্টে নৌকা নিয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছলে, স্থানীরা আগুন নিয়ন্ত্রনে আন‌তে সক্ষম হ‌য়।

অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।

প্রিয় পাঠক অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্যামেইলবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন themailbdjobs@gmail.com ঠিকানায়।

More articles

সর্বশেষ

x  Powerful Protection for WordPress, from Shield Security
This Site Is Protected By
Shield Security
Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.