নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেত্রকোনা জেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানান।
ফাহিম রহমান খান পাঠান অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “গত মঙ্গলবার রাত পৌনে আটটার দিকে মদনপুর ইউনিয়নে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে এবং ছয়টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া বার বার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা সত্ত্বেও আমরা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী প্রচারণার অসংখ্য ব্যানার ও ফেস্টুন পরিকল্পিতভাবে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, “অন্যান্য প্রার্থীদের শত শত বিলবোর্ড শোভা পেলেও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে আমাদের লাগানো মাত্র ২০টি বিলবোর্ডও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। প্রশাসন এসব দেখেও না দেখার ভান করছে, যা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্তরায়।”
প্রার্থী মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান জেলা রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় কমিশনারের সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “প্রশাসন যদি আগের মতো দলীয় স্টাইলে চলে, তবে সাধারণ মানুষ তা মেনে নেবে না। আমরা একটি সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই যেখানে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবে।”
নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সকল ভয়-ভীতি ও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখে দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর সাথে জামায়াতের পৌর শাখার আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, নায়েবে আমীর আবুল হোসেন তালুকদারসহ স্থানীয় ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
