ঝালকাঠিতে ওয়ালটনের কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ডধারী বিকনা গ্রামের মৃত শাহ আলম হাওলাদারের পরিবারকে একলক্ষ টাকা আর্থিক সুবিধা প্রদান করেছে ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি পণ্য বিক্রয় এবং সেবা প্রদানকারি প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ালটন প্লাজা’।
রোববার ৪ জানুয়ারি বিকেলে আনুষ্ঠানিক ভাবে মৃত শাহআলমের স্ত্রী সীমা বেগমের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ -ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ, কোম্পানীর ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. সালেহ আহমেদ এবং রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. আরাফাত হোসেন।
এ সময় ওয়ালটন প্লাজা ঝালকাঠি সদর ব্রাঞ্চের ম্যনেজার মো. ইয়ামিন আহম্মেদ এবং কলেজ মোড় ব্রাঞ্চের ম্যানেজার আল আমিন সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ষ্টাফ ও নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
ওয়ালটন প্লাজার থেকে দেয়া তথ্য বলছে, “ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের ৫০ বছর বয়সী শাহ আলম হাওলাদার ওয়ালটন থেকে ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর ৬৭ হাজার ৪৭৭ টাকা মুল্যের একটি টিভি কিস্তিতে ক্রয় করেন। এবং তিনি কিস্তি সুরক্ষা কার্ড গ্রহন করেন।
প্রথমে ৬ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে পরের মাসে নিয়ম অনুযায়ী সারে চার হাজার টাকা প্রথম একটি কিস্তি পরিশোধ করে ৫৬ হাজার ৯৭৭ টাকা বকেয়া রেখে ৩ ডিসেম্বর হার্ট অ্যাটাক হয়ে মৃত্যু বরণ করেন শাহআলম।
তবে মৃত শাহ আলম কোম্পানির কিস্তি সুরক্ষা কার্ডধারী হওয়ায় তার পরিবারকে গুনতে হয়নি বকেয়া টাকা। মৃত গ্রাহকের পরিবারদের সমুদয় বকেয়া কিস্তির টাকা মওকুফ করে আরো ৪৩ হাজার টাকা নগদ দেয়া হয় কিস্তি সুরক্ষা কার্ডধারী পরিবারটিকে।
কোম্পানীর ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. সালেহ আহমেদ বলেন, ‘ওয়ালটন প্লাজার ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতির’ আওতায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকের পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই সুরক্ষা নীতির আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের কিস্তি সুরক্ষা কার্ড প্রদান করা হয়। ক্রয়কৃত পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় ক্রেতার মৃত্যু হলে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও সুরক্ষা কার্ডধারীর মৃত্যুকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকাও মওকুফ করে দিচ্ছে।’
