তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক মুসলিম তরুণীকে অপহরণের পর প্রায় আট মাস গোপন স্থানে আটকে রেখে জোরপূর্বক বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্তের মাকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত স্বারতী বাউড়ি পলাতক অভিযুক্ত লক্ষ্মীকান্ত বাউড়ির মা।
লক্ষ্মীকান্ত কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা-বাগান এলাকার ডেবলছড়ার বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা যায়, প্রায় আট মাস আগে স্থানীয় এক তরুণীকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার পর অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাকে একটি মন্দিরে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।
পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লক্ষ্মীকান্তের মা স্বারতী বাউড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়। কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমর উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তের মাকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




