একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার দুই আসামি রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
পরে রোববার রাতে আসামি মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এবং রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী আজ (সোমবার) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রোববার বিকেল ৫টার দিকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
তিনি বলেন, যেহেতু আসামিরা নিজেদের দায় স্বীকার করেছে, তাই তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। পরে তাদের প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত শনিবার রাত ১১টায় নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন রংপুর জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থি (২৫) এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)।
রোববার সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের পর মরদেহগুলো আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতেই নগরীর দখিগঞ্জ শ্মশানে চারটি মরদেহ দাহ করা হয়।
শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী একই দিন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বাসসকে জানান, চুরি যাওয়া গয়না উদ্ধার এবং রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।




