শার্শা প্রতিনিধিঃ
বেনাপোল স্থলবন্দরে রাত ৮টার পর কাঁচামাল ছাড়ের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে আমদানিকারকদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত নষ্ট হওয়া ফলমূল ও কাঁচামাল সময়মতো ছাড় না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা পূর্বের মতো ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড়ের সুবিধা পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেনাপোল কাস্টমসের আমদানি কাঁচামাল মাঠে গিয়ে দেখা যায়, এনপি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের আমদানিকৃত একটি কাঁচা খেজুরের চালান ২৭ জুলাই সন্ধ্যার একটু আগে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। তবে সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট রাইত এন্টারপ্রাইজ সেদিন রাতেই চালানটি কাস্টমস থেকে ছাড় করাতে না পারায় পরদিন (২৮ জুলাই) খালাসের সময় দেখা যায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি কাঁচা খেজুর পচে নষ্ট হয়ে গেছে।
আমদানিকারক রয়েল হোসেন বলেন, “প্রায় দুই মাস ধরে রাত ৮টার পর কাঁচামাল ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ফলে সন্ধ্যার পরে বন্দরে আসা ট্রাকগুলো পরদিন পর্যন্ত আটকে থাকে। এতে কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আমরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছি।”
তিনি আরও বলেন, “সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করে পূর্বের মতো ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড়ের ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।” ব্যবসায়ীদের দাবি, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ফলমূল, কাঁচা খেজুর, শাকসবজি ও অন্যান্য পচনশীল পণ্য দেশে প্রবেশ করে।
এসব পণ্য সময়মতো খালাস না হলে শুধু আমদানিকারকদেরই নয়, বাজারের সরবরাহ ব্যবস্থা ও ভোক্তাদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড়ের সুবিধা পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তবে এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কোন সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



