মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত একটি অস্থায়ী বিধিমালার মাধ্যমে এ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। মূলত ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত বি১ ও বি২ ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনকারীদের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। পাইলট প্রকল্পটি ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চালু থাকবে।
বর্তমানে বি১ ও বি২ ভিসার আবেদন ফি ১৮৫ ডলার। নতুন প্রিমিয়াম সেবা গ্রহণ করতে চাইলে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত ৭৫০ ডলার পরিশোধ করতে হবে। ফলে মোট খরচ দাঁড়াবে ৯৩৫ ডলারে।
তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করলে শুধু দ্রুত সাক্ষাৎকারের সময় পাওয়া যাবে। এর সঙ্গে ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনা বৃদ্ধির কোনো সম্পর্ক নেই।
এই সেবা সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে চালু হবে না। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কয়েকটি মিশনে এটি কার্যকর করা হবে। কোন কোন দূতাবাস ও কনস্যুলেট এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে, সে তালিকা পরে প্রকাশ করা হবে।
মার্কিন সরকারের ধারণা, আগামী কয়েক বছরে দেশটিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসকে সামনে রেখে বাড়তি চাপের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ হবে যুক্তরাষ্ট্র, আর ২০২৮ সালের অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে। কর্মকর্তাদের মতে, এই পরীক্ষামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত সাক্ষাৎকার সেবার চাহিদা কতটা রয়েছে তা মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন সেবা স্থায়ীভাবে চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে।
নতুন প্রিমিয়াম সুবিধাটি শুধু বি১ ও বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে, যা ব্যবসায়িক ও পর্যটন উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি সফরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তবে যেসব দেশের নাগরিকরা ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামের আওতায় ভিসা ছাড়াই স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেন, তারা এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন না।



