মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে এক চা শ্রমিক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর অমানবিক নির্যাতন ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের মগলাম বস্তি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলায় একই পরিবারের ৩জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মগলাম বস্তি এলাকার বাসিন্দা ও চা শ্রমিক মিলন ঘোষের (৩৪) সঙ্গে স্থানীয় মিঠুন সুদবংশী তাঁতীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

গত ১লা মে বিকেলে মিলন ঘোষ ট্রাক্টর নিয়ে ভাড়াউড়া চা বাগান থেকে কাজ শেষে ফিরছিলেন। রাজঘাট চা বাগানের ডিজিএম বাংলোর সামনে পৌঁছালে বৃষ্টির কারণে ট্রাক্টরের একটি চাকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ সময় শব্দ শুনে অভিযুক্ত মিঠুন সুদবংশী ঘটনাস্থলে এসে পুরনো বিরোধের জেরে মিলন ঘোষের ওপর চড়াও হন। মিলনকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয়।

পরে স্থানীয়রা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। প্রাথমিক মারধরের রেশ কাটতে না কাটতেই পরের দিন পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, মিলনের বড়চাচা অধর ঘোষ মারধরের কারণ জিজ্ঞেস করলে মিঠুনের হাতে থাকা কাঠ দিয়ে আঘাত শুরু করেন। চিৎকার শুনে মিলনের বাবা সুধীর ঘোষ ও মা জোৎস্না ঘোষ এগিয়ে এলে তাদের ওপরও নির্মম হামলা চালানো হয়। আহতরা শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, “থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এদিকে চা শ্রমিকের ওপর এমন হামলায় স্থানীয় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি দেখা দেয়। তারা দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

Share.

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© ২০২৬ The Mail Bd.. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version