মো. জসিউর রহমান, টাঙ্গাইল নাগরপুরে কৃষিজমি চাষের ট্রাক্টর চলাচল ও মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্রী করে মারামারিতে আহত হয়েছেন ৬ জন। এদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে আই সি ইউ তে লাইভ সাপোর্টে রয়েছেন। গত শনিবার দুপুরে বেকড়া ইউনিয়নের নবগ্রামের ছোরহাব, শামীম, হারুন, লাদেন, বন্যা, রশীদা বেগম সহ ১০-১৫ জন আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বেকড়া ইউনিয়নের বরটিয়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে জামালের বসত বাড়ি ও দোকানে গিয়ে হামলা করে জামাল (৬০) কামাল (৫৫), দেলেয়ার (৫৩), মর্জিনা (৩৫), দোলনা (১৪), ইব্রাহিম (১৭) কে দেশি-বিদেশে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে, পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।
পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় উন্নতর চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। এদের মধ্যে জামালের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়, জামালকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করে। জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ৩ দিন পর নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা জামালের জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় ২৭ তারিখে ২৩ নং ক্রমিকে একটি মামলা দায়ের হলে ২৮ তারিখে এ মামলার অভিযুক্ত আসামী লাদেনকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মুরাদ হোসেন জানান, মাটির ব্যবসা কেন্দ্রিক মারামারিতে মোট ছয় জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে ঢাকায় ভর্তি রয়েছে। থানায় মামলার দায়ের হয়েছে এবং একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি আমরা। তদন্ত চলমান রয়েছে। অবৈধ মাটি ব্যবসা প্রতিবছর কেড়ে নিচ্ছে অনেক প্রাণ। প্রশাসনের দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপে প্রাণনাশের ঘটনা কমাতে সহায়ক হবে, এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

