দুঃখজনক হলেও সত্য এখন আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তেমন পড়াশুনা হয় না।শিক্ষকরাও ছাত্রদের কাছ থেকে তেমন যথাযথ সম্মান পান না আর তাই শিক্ষরাও ছাত্রদেরকে যথাযথ শিক্ষাটা দিতে চান না।এর অন্যতম কারণ হলো শিক্ষকের যে বেতনের স্বল্পতা তা বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও বর্তমান জীবন যাত্রার মানের সাথে যথেষ্ট ফারাক।তাই অধিকাংশ শিক্ষক একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাণিজ্যিক হয়ে গেছে।আর আরেকটা শ্রেণী যারা নিম্ম মধ্যবিত্ত,মধ্যবিত্ত পরিবার হতে উচ্চ শিক্ষায় নিজের খরচে উচ্চ শিক্ষার গতিকে সচল রাখতে বিভিন্ন টিউশনের উপর নির্ভরশীল।একদিকে মেস ভাড়া,অন্য দিকে নিজের একাডেমিক ও চাকুরি পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া একপ্রকার দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।যাদের চোখে মুখে ছিল আকাশ ছোয়ার উদম্য ভাসনা তারা আজ আকাশের দিকে তাকিয়ে নিঃশ্বাস ছেড়ে, মাটির দিকে তাকিয়ে নিরবে নিঃশব্দে ঢুকড়ে ঢুকড়ে কাঁদে। পর্যাপ্ত টিউশন নেই কে যোগাবে টিউশন নির্ভর শিক্ষার্থীদের খরচ?
বর্তমান বাজারের বিষয় মাথায় নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো পে-স্কেল নির্ধারণ করা এবং একই সাথে টিউশন নির্ভর শিক্ষার্থীদের সরকারের প্রণোধনা সহযোগিতা ও বেকার ভাতা কাম্য।
মো.মাসুম বিল্লাহ, বিবিএ,এমবিএ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্রেকিং নিউজ
- জুমার দিনের একটি সুন্দর শিক্ষা
- সিগারেট না পেয়ে দোকানিকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, পুলিশের হাতে বন্দি অভিযুক্ত
- ১০ হাজার টাকায় শুরু, এখন ৩২ জনের কর্মসংস্থান
- শৈশবের উচ্ছ্বাসে আর শৃঙ্খলার দীক্ষায় জামালপুরে শুরু হলো কাব ক্যাম্পুরী
- ‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
- কেন্দুয়ার সাহিদপুর বাজারে রাতের বর্বরতা: দগ্ধ দোকানির আর্তনাদ
- যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ ভিসা বুলিটিন: কারও স্বস্তি, কারও অপেক্ষা বাড়ল
- যে শিক্ষা নেবে না, তাকে শিক্ষা দেওয়া হবে: ডেপুটি স্পিকারের হুঁশিয়ারি


