Site icon দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

পুরোনো কাপড়ে মোড়ানো ছিল ভারতীয় মদ, নেত্রকোনায় গ্রেপ্তার ২ যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনা জেলা শহরের হোসেনপুর ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১ বোতল অবৈধ ভারতীয় বিদেশি মদসহ দুজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৩ হাজার টাকা।

গ্রেপ্তারকৃত যুবকদ্বয় হলেন- মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. রেদুয়ান ইসলাম (২৫) ও মো. শাহাজ উদ্দিনের ছেলে মো. লুৎফর রহমান (২৯)। তারা সকলেই জেলার কলমাকান্দা থানাধীন বরুয়াকোনার অন্তর্গত বটতলা গ্রামে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুই যুবক অভিনব কায়দায় স্কুল ব্যাগের ভেতর পুরোনো কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে এসব বিদেশি মদ পাচার করছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত এলাকা কলমাকান্দা থেকে এসব মদ সংগ্রহ করে তারা জেলা শহরে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছিল।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ (রবিবার) বিকেলে নেত্রকোনা সদর উপজেলার হোসেনপুর ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ধানসিঁড়ি হোটেলের পশ্চিম পাশের পাকা রাস্তার ফুটপাতে অবস্থান নেয় ডিএনসির একটি চৌকস রেইডিং টিম। এ সময় সন্দেহভাজন দুই যুবক ওই স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় ডিএনসি কর্মকর্তারা তাদের গতিরোধ করে তল্লাশি চালান।

তল্লাশিকালে যুবকদের কাছে থাকা ‘ম্যাক্স’ লেখা কালো রঙের স্কুল ব্যাগ থেকে অবৈধ বিদেশি মদগুলো উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ব্যাগটির ভেতরে পুরোনো কাপড় দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সাদা রঙের কাঁচের বোতলগুলো মোড়ানো ছিল।

ডিএনসি জানায়, উদ্ধারকৃত মদের বোতলগুলো ভারতের তৈরি ‘আইস ভদকা’ নামীয় ব্র্যান্ডের। প্রতিটি বোতলে ৭৫০ মিলি করে ১১টি বোতলে সোয়া আট লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা অবৈধ মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ দুজন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তিনি (নাজমুল হক) বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মাদকের বিস্তার রোধে এবং মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে জেলা ডিএনসির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কার্যালয়।

Exit mobile version