টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
বিএনপি’র চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৫ বছর ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন আর সেখানে দপ্তিয়র ইউনিয়নে চলছে বৃক্ষ নিধন। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের সারটিয়াগাজী, পাছআড়রা, ধুনাইল, বালিয়াবন্দর, ভূগোলহাট গ্রামের রাস্তার দু’পাশে থাকা বিভিন্ন জাতের গাছ কেটে বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। 
এসব গ্রামের রাস্তার দু’পাশে ইউক্যালিপটাস, মেহেগুনী ও আকাশমনি সহ বিভিন্ন জাতের অনেক গাছ ছিল। কিন্তু প্রভাবশালীরা কোন প্রকার অনুমতি অনুমোদন না নিয়েই ক্ষমতার জোরে কেটে নিচ্ছে এসব গাছ। উজ্জ্বল, সেনাসদস্য মোশাররফ ওরফে মুশা, ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আনোয়ার মাষ্টার, আলীম মাষ্টার, যুবলীগের জাকির এবং কৃষক দলের জয়নাল সহ বেশ কিছু লোকের বিরুদ্ধে রাস্তার দুপাশের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে, রাস্তা দুপাশের গাছ কর্তনের তথ্য সংগ্রহে যাওয়ার পর বেআইনি ভাবে প্রায় ৪ হাজার গাছকে হত্যার ছবি ভিডিও ধারণ করতে গেলে উত্তেজিত হয়ে তেড়ে আসেন মোশাররফ নামের এক সেনা সদস্য এবং তিনি নিজেকে ঐ গাছের মালিক দাবি করেন। সংবাদ কর্মীরা সেনাসদস্যের কাছে গাছ কর্তনের বৈধ কাগজপত্র চাইলে তিনি তা দেখাতে অস্বীকার করেন এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজ বাঁধা দেন।
পরবর্তীতে এ বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা এবং এলজিইডি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানায় যায়, বর্তমানে নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়নে গাছ কর্তনের কোন অনুমতি নেই। সংবাদটি সংগ্রহ করতে গেলে, প্রতিবেদনটি না করার জন্য সেনাসদস্য সহ অনেকেই বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক দলের প্রভাব, প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রভাব খাটিয়ে হুমকি ধামকি দিয়েছে।
ক্রেতা অভিযুক্ত খালেক বেপারী জানায়, তিনি গাছ গুলো কর্তন ও বিক্রির সাথে জড়িত নন। উজ্জ্বল, আনোয়ার মাষ্টার, আলীম মাষ্টার সহ বেশ কয়েকজন গাছ গুলো কেটে নিচ্ছে যা পরে বিক্রি করবে। দপ্তিয়র ইউনিয়নের সারটিয়াগাজী এলাকার রাস্তার দুই পাশের গাছ গুলো অর্থলোভীদের দৃষ্টি থেকে বাঁচতে চায়।
