দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

; ;

দ্যা মেইল বিডি ডট কম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা, নিবন্ধন নং- ১১

নিজস্ব প্রতিনিধি জামালপুরঃ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার একুশের মোড়ে অবস্থিত নূরজাহান ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। জানা গেছে, ফিলিং স্টেশনটিতে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক চালককে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রতিদিনের মতো মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহন তেল নিতে স্টেশনে এলেও তেল না থাকায় অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে বিশেষ করে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন ও জরুরি কাজে বের হওয়া চালকরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন।

স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, কোনো কোনো পাম্পে তেল নেই, আবার কোথাও তেল থাকলেও তা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে খুচরা দোকান থেকে অতিরিক্ত দামে তেল কিনছেন। নূরজাহান ফিলিং স্টেশনের মালিক জহুরুল হক (বাদশা) জানান, সর্বশেষ গত ৩ মার্চ তাদের পাম্পে তেলের চালান আসে। তখন মজুদ ছিল ১০ হাজার ৩৭৭ লিটার ডিজেল, ৬ হাজার ২৫৯ লিটার পেট্রোল এবং ২ হাজার ৬০৭ লিটার অকটেন।

নিয়ম অনুযায়ী তেল বিক্রি চলছিল, তবে হঠাৎ করে ৪ মার্চ থেকে পাম্পে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বাড়ে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গত ৭ মার্চের মধ্যেই সব তেল শেষ হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, তাদের তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম থেকে এখনো নতুন কোনো তেলের গাড়ি পৌঁছেনি। সরবরাহ সমস্যার কারণেই সাময়িকভাবে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে তেল না থাকায় অনেক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং কেউ কেউ মজুদ করে রাখার অভিযোগ তুলে পাম্পের মালিক ও কর্মচারীদের ওপর চড়াও হচ্ছেন বলেও জানান তিনি। তবে নতুন করে তেলের চালান পৌঁছালে দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পাম্প কর্তৃপক্ষ। দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পাম্প মালিক, কর্মচারী ও যানবাহন চালকরা।

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© 2026 Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version