আরিফ শেখ, রংপুর প্রতিনিধিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সম্প্রতি নিখোঁজের তিন দিন পর আলু ক্ষেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মরহুম মঞ্জুরুল ইসলামের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় ছাত্রদল নেতারা। তারাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রাতুল আহমেদ ও তাঁর সহযোদ্ধাদের উদ্যোগে মরহুমের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে শুকনা খাদ্যসামগ্রী। এছাড়া মরহুমের বড় ছেলের লেখাপড়ার আংশিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন রাতুল আহমেদ ও তাঁর বন্ধু-বান্ধবরা।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা পীরের মাজার সংলগ্ন একটি আলু ক্ষেতের গর্ত থেকে স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ মাটি খুঁড়ে মঞ্জুরুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের ফরিজ উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান (পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে যুক্ত) ছিলেন। নিখোঁজের পরদিন পরিবার থানায় জিডি করলেও ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে নিহতের মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে রাতুল আহমেদের নেতৃত্বে ছাত্রদলের এই উদ্যোগ অসহায় পরিবারের জন্য সহানুভূতি ও সহায়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
তারাগঞ্জ জিকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষও ঘোষণা দিয়েছে, মরহুমের বড় ছেলের শিক্ষার দায়ভার ক্লাস টেন পর্যন্ত তারা বহন করবে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মাহমুদুল হাসান পাভেল, মোঃ মাহমুদ সরকার, মোঃ রাফি ইসলাম, তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সভাপতি মোঃ হাসানুর ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী লিটন রায় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ । তারাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা রাতুল আহমেদ জানান , “আমরা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। আমরা চাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক এবং পরিবারটি যেন সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারে, এটাই আমাদের কাম্য। আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।”
