স্টাফ রিপোর্টার : পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন- সুনামগঞ্জ জেলার হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি প্রতিরোধে পাহাড়াদারের ভুমিকা পালন করবে সরকার। বাঁধ নির্মাণ কাজে কোন ধরনের অবহেলা, দুর্নীতি করা যাবে না। জনগুরুত্বপূর্ণ এই হাওরগুলোতে সেচের মাধ্যমে জুন পর্যন্ত কিভাবে মানুষ উপকার পাবে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
হাওরগুলো ডুবন্ত বাঁধ রয়েছে, প্রতি বছর এই বাঁধগুলো রিপেয়ারিং করা জরুরী। বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্বশালী দেশ হিসেবে গঠন করতে হলে হাওরের শস্য উৎপাদন সহায়ক ভুমিকা পালন করে। তিনি আরো বলেন-প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি হাওরাঞ্চলের ফসলরক্ষা বাঁধ সম্পূর্ণভাবে দূর্নীতিমুক্ত রাখা। এজন্য রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সংসদ সদস্য ও সাধারণ মানুষকে আরো বেশী সচেতন হতে হবে। ফসলরক্ষা বাধেঁর কাজ আরো বেশী ত্বরান্বিত হওয়া জরুরী। সরকার ফসলরক্ষা বাঁধ ও খাল খনন এর উপর বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই সকলকে সতর্কতার সহিত এইসব কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
আজ শুক্রবার বেলা ১২ টায় সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুরে হাওরের বিভিন্ন ফসলরক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী।
এসময় মন্ত্রী আরো বলেন হাওরে এসব মহতী উদ্যোগনগুলো যেনো দুর্নীতি কারনে সরকাকে বদনাম না-হয় সেজন্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে। ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর এম আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. আব্দুল হক, আবুল মনসুর শওকত, নাদির আহমদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জাতীয় কমিটির সদস্য নুরুল হক আফিন্দি, তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জুনাব আলীসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সরকারী কর্মকর্তাগণ।
