দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

; ;

দ্যা মেইল বিডি ডট কম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা, নিবন্ধন নং- ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে রাতের আঁধারে রামজীবনপুর এলাকার সাতমাধলাই নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রির দায়ে তিন ব্যক্তিকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্যাকু (এক্সেভেটর) জব্দ করা হয়েছে।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এরআগে ​গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার রামজীবনপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম এ কাদের।

​কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা ইসমাইল হোসাইন (১৯) ও একই জেলার সদর উপজেলার মো. রাজু প্রামানিক (১৮) এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা দ্বীন ইসলাম (৩০)।

​প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘ দিন ধরে সাতমাধলাই নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। হাতেনাতে মাটি কাটার সময় তিনজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় মূল হোতারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আটককৃতরা মূলত ভ্যাকুর চালক ও সহকারী। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মাটিখেকো চক্র তাদের ভাড়ায় এনে নদীর পাড় ধ্বংস করছিল। তারা মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

​সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ​”অবৈধভাবে খাস জমি, কৃষি জমি কিংবা নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নাগরিকরা যেন এ ধরনের অপকর্ম দেখলেই আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন।”

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© 2026 Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version