Site icon দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

বিদ্যালয়ের সামনে সড়কে অটোস্ট্যান্ড: শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক প্রবেশপথ

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর সদরের একমাত্র নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাবেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র যানজট ও সড়ক নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফলে প্রতিদিন শত শত নারী শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে।

বিদ্যালয়টি কেন্দুয়া-নেত্রকোনা আঞ্চলিক মহাসড়কের একেবারে পাশে অবস্থিত। এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন কেন্দুয়া থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। দ্রুতগতির যানবাহনের ভিড়ে বিদ্যালয়ের গেইটের সামনে রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় শত শত ছাত্রী ব্যস্ত মহাসড়ক পার হচ্ছে। এ সময় ছোট-বড় বিভিন্ন যানবাহন দ্রুতগতিতে গেইটের সামনে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা- এমন আশঙ্কা করছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

অভিভাবক সমরেশ চন্দ্র সাহা ও দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টি মহাসড়কের একেবারে পাশে হওয়ায় মেয়েদের রাস্তা পার হতে প্রতিদিন ঝুঁকিতে পড়তে হয়। গেইটের সামনে স্পিডব্রেকার বসানো হলে অনেকটাই নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ভালো হলেও যাতায়াতের ঝুঁকি আমাদের দুশ্চিন্তায় রাখে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান বাঙ্গালী জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে গেইটের সামনে স্পিডব্রেকার স্থাপন ও অটোস্ট্যান্ড অপসারণের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, গেইটের পাশেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড থাকায় সারাক্ষণ যানজট লেগে থাকে। গতি নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঝুঁকি নিয়েই মেয়েরা বিদ্যালয়ে আসছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড অপসারণ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন, গেইটের সামনে স্পিডব্রেকার বসানোসহ প্রয়োজনীয় সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Exit mobile version