বাংলাদেশের সকল হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের ফায়ার লাইসেন্স থাকার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।কিন্তু অসংখ্য হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের ফায়ার লাইসেন্স নেই যার ফলে এজাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চমাত্রার অগ্নিঝুকিতে আছে।সারা বাংলাদেশের সহস্রাধিক ফায়ার লাইসেন্স বিহীন হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোতে অসংখ্য রোগী,দর্শনার্থী,ডাক্তার ও সেবকগন চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে নিয়মিত অবস্থান করেন যা তাদের জীবনকে অগ্নি দূঘটনার দিকে ঠেলে দেয়।তাই জনস্বার্থে ফায়ার লাইসেন্স বিহীন হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের কৃত একটি রিট পিটিশন অদ্য ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ হাইকোর্ট ডিভশনের মহামান্য বিচারপতি জনাব আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি জনাব ফাতেমা আনোয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে শুনানী হয়।যার রীট পিটিশন নং-১৯৬৭৯/২৫।শুনানী শেষে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন ফায়ার লাইসেন্স বিহীন হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারী করেছে।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিট পিটিশনারের দাখিলকৃত দরখাস্ত ৯০(নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।রীট পিটিশনারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব মোঃ কাওসার হোসাইন।জনস্বার্থে দায়েরকৃত উক্ত রিট পিটিশনের পিটিশনার গাজীপুরের সাংবাদিক মোঃ মেহেদী হাসান এবং প্রতিপক্ষ করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সচিব,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়,সচিব,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়,মহাপরিচালক,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,মহাপরিচালক,ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফন্স প্রমূখ।এবিষয়ে রীট পিটিশনারের পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ কাওসার হোসাইন জানান যে,মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের এমন আদেশের ফলে হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অগ্নি ঝুকি হ্রাসের নিমিত্তে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে এবং হাসপাতাল,ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অবস্থানকারী রোগী,দর্শনার্থী,ডাক্তার ও সেবাদানকারীগনঅগ্নি ঝুকিমুক্ত পরিবেশ পাবে ।তিনি এজাতীয় আদেশের জন্য মহামান্য আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


