দ্যা মেইল বিডি / খবর সবসময়

; ;

দ্যা মেইল বিডি ডট কম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা, নিবন্ধন নং- ১১

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগের শাসনামলে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকা রাখা এক নেতাকে ঘিরে জনমনে নানান প্রশ্ন উঠেছে জনমনে! অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মতলিবের বিরুদ্ধে।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনী এলাকায় প্রকাশ্যে তাঁর অনুসারীদের নিয়ে আন্দোলন ব্যাহত করার প্রস্তুতিকালে ধারণকৃত একাধিক ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া তাঁর শক্তির উৎস হিসেবে বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে চলা কিছু বিতর্কিত ও চাঁদাবাজ প্রকৃতির ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এরা সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছে এবং তদবির নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশাসনিক মহলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভয়ের কারণে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী আত্মগোপনে থাকলেও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করছেন? অভিযোগ রয়েছে, ২০১৩ সালে কালাপুর এলাকায় বিএনপিকে সমর্থনের অভিযোগে নিরপোরাধ সাধারণ মানুষকে মিথ্যা নাশকতা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

ওই মামলার ষড়যন্ত্রের অন্যতম হোতা ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন এম এ মতলিব নিজেই। এতে বিএনপি করার দায়ে নিরপোরাধ তিনজন—কালাপুরের মৃত জব্বার মিয়ার ছেলে জমশেদ মিয়া (৪০), মৃত মছরব মিয়ার ছেলে সালামত মিয়া (৫৫) এবং মৃত আনর মিয়ার ছেলে তাজ উদ্দীন মিয়া (৫০)—সাত মাস কারাবাস ভোগ করেন। ওই মামলায় আরও বহু সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে এবং দীর্ঘদিন ঘরছাড়া হয়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, বর্তমানে তিনি পূর্বের কৌশলেই প্রভাব বিস্তার করে নানা উপায়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এক নাবালক কিশোরের বিরুদ্ধেও কিশোর গ্যাং সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শিকার হন কালাপুরের শামছুল ইসলামের ছেলে জুবেদ আহমেদ (১৬)। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন খাতের সরকারি বরাদ্দ যথাযথ কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হোক। এব্যাপারে আজ শুক্রবার (৯ই জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি এ বিষয়ে অবগত নই , তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share.
Leave A Reply

মোঃ আব্দুল আওয়াল হিমেল
প্রকাশক ও সম্পাদক 
দ্যা মেইল বিডি ডট কম
মোবাইল: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
ইমেইল: themailbdnews@gmail.com
ঠিকানা: ১০২/ক, রোড নং-০৪, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

নিউজরুম: +৮৮০ ১৩১৪-৫২৪৭৪৯
জরুরী প্রয়োজন অথবা টেকনিক্যাল সমস্যা: +৮৮০ ১৮৩৩-৩৭৫১৩৩

© 2026 Themailbd.com. Designed and developed by Saizul Amin.
Exit mobile version