মোঃ বাবুল হোসেন, গত দুই বছর করোনার প্রভাবের কারণে সরকারী বিধি নিষেধ থায়ায় বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে তেমন দর্শনার্থী দেখা না মিললেও এবার জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর পার্কসহ উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলোতে ছিলো ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়। প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে একটু আলাদা আমেজে সময় কাটাতে উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলো থেকেও ছুটে আসছে নারী-পুরষ, শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষ। সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঈদের দিন পারিবার পরিজন নিয়ে অতীত সমৃদ্ধ স্মৃতির সান্নিধ্যে ছুটি কাটাতে পেরে আনন্দিত দর্শনার্থীরাও। সকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঈদ আনন্দ উদযাপনে দর্শনার্থীদের মনে দিধাদ্বন্দ থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে আবহাওয়া ভাল হওয়ায় উপজেলার পৌর পার্ক, পাথরঘাটা, লকমা জমিদারবাড়ী ও আটাপাড়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হতে থাকে। এসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলা থেকে ছুটে আসে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষ। উপজেলায় ভাল মানের দর্শনীয় স্থান না থাকায় বিনোদনের স্থান হিসাবে এ স্থানগুলোতে স্ব-পরিবারে ভ্রমণ করার স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে এ উপজেলার লোকজনসহ আশপাশের এলাকার মানুষেরা। উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে এই স্থানগুলোই অন্যতম। এই স্থানগুলোতে ঘুরতে আসলে বিভিন্ন স্থান থেকে ঘুরতে আসা পরিচিত মুখ গুলোর সাথে দীর্ঘ দিন পরে দেখা হয়ে যায় অনেকেরই। অপরদিকে স্থানীয় থিয়েটার ও ভোর হলো সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে দর্শনার্থীদের বাড়তী বিনোদন দিতে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক আনুষ্ঠানের। ফলে ঈদের দিনের ভিড় এক ধরণের মিলন মেলায় পরিণত হয়। উপজেলার নন্দইল গ্রাম থেকে আসা জীবন হোসেন জানান, আমি ঢাকায় চাকরি করি। ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে এসে দুর দুরান্তে বিনোদন কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ হয়না। তাই একটু বিনোদনের জন্য এখানে আসা। ছোট্ট পরিসরে এখানে ভাল বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য পার্কের ব্যবস্থা অনেক ভালো। বিশেষ করে পৌর পার্কে নাগরদোলা, ঘোড়া, দোলনাসহ বিভিন্ন শিশু খেলনার ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা পরম আনন্দে মেতে উঠে। উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন থেকে পার্কে ঘুরতে আসা শিশু সাদিক বলেন, আজকে ঈদের আনন্দটা আমাদের খুব ভাল লাগছে। নাগরদোলা, দোলনা চড়েছি, এখানে গান বাজনা হচ্ছে খুব মজা হচ্ছে। রাধাবাড়ী এলাকার ইমন বলেন, দীর্ঘ এক মাস রোজার পর ঈদের দিন পার্কে অনুষ্ঠান হচ্ছে তাই পার্কে ঘুরতে এসেছি অনেক আনন্দ হচ্ছে। আয়মারসুলপুর এলাকার তাবাসুম মিম জানায়, ঈদের দিন পার্কে অনেক খেলনা রয়েছে, খাবার দোকান রয়েছে, ঘুরতে এসে খুব মজা হচ্ছে।
ব্রেকিং নিউজ
- বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সংগীতের সম্ভাবনা বাড়বে? আন্তর্জাতিক সংগীতজোটে হামিনের নতুন ভূমিকা
- ভাড়াটিয়ারা এখন হবেন মালিক: নাজিরপুর বাজার নিয়ে ডেপুটি স্পিকারের বার্তা
- সৌরবিদ্যুতে বড় উদ্যোগ, আসছে বিশেষ অধ্যাদেশ
- কিশোর গ্যাং ঠেকাতে সব উপজেলায় কমিটি
- সাদেক হোসেন খোকার উত্তরাধিকার, ইশরাক হোসেনের উত্থান
- জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ: শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
- নেত্রকোনায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন: সম্প্রীতি ও নির্বিঘ্ন আয়োজনের বার্তা বিভাগীয় কমিশনারের
- নেত্রকোনাবাসীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়: উন্নয়ন কাজের খোঁজ নিলেন বিভাগীয় কমিশনার


