চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অন্তত আরো ৪০ জন বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হতে চলেছেন। গতকাল সোমবার (৬ ডিসেম্বর) ছিল চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ ছাড়া গত ২৫ নভেম্বর ১৩টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর ফলে এ ধাপে বিনা ভোটের চেয়ারম্যান পেতে যাচ্ছেন ৪০টি ইউনিয়ন। এর আগে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনেও বিনা ভোটের চেয়ারম্যান হয়েছেন ১০০ জন। এ ছাড়া প্রথম ধাপে ৭২ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে ৮১ জন বিনা ভোটেই চেয়ারম্যান হয়েছেন।
চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হওয়াদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ১০টি ইউপির মধ্যে ছয়টিতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা ভোটের চেয়ারম্যান হচ্ছেন। চট্টগ্রাম জেলার ছয়টি ইউপি এ ধরনের চেয়ারম্যান পেতে যাচ্ছে। এ ছাড়া টেকনাফ পৌরসভায়ও মেয়র পদে একক প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজি মো. ইসলাম বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন।
এবার ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে ১০০ চেয়ারম্যান ছাড়াও নারীদের জন্য সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে ১৩২ জন, সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৩৩৭ জন ভোট ছাড়াই জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপেও ৮১ জন চেয়ারম্যান ছাড়াও সদস্য পদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৭৩ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে ২০৩ জন ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়ে গেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৮১ জন চেয়ারম্যান ছাড়াও সদস্য পদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৭৩ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে ২০৩ জন একক প্রার্থী হিসেবে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছেন। চতুর্থ ধাপের ৮৪০ ইউপির ভোটের তারিখ নির্ধারিত ছিল আগামী ২৩ ডিসেম্বর। কিন্তু ওই দিন এইচএসসি পরীক্ষার কারণে ভোটের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে ২৬ ডিসেম্বর করা হয়েছে। আর পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপির নির্বাচন হতে পারে আগামী ৫ জানুয়ারি।
ব্রেকিং নিউজ
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
- রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
- অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান ঘাটতি দূর করার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
- দিনাজপুরের কলা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে
- দক্ষিণ চট্টগ্রামে নতুন গতি আনবে ডুয়েলগেজ রেললাইন
- ‘স্মার্ট ও গ্রিন ঢাকা’ গড়তে ডিএসসিসির ১,৯০৪ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা
- আমন ধান রোপণে ব্যস্ত নাটোরের কৃষকরা
- নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি


