মোঃ রাসেল আহম্মেদ, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়া সদরের পলাশ বাড়ী গ্রামে নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন রেখে গাজীপুর জেলার কামারজুরী এলাকার মৃত ফজলুল হকের পুত্র ২ সন্তানের জনক আব্দুল আলীম গত ১৪-১৫ মাস পূর্ব থেকে সদরের গোকুল ইউনিয়নের পলাশবাড়ী স্কুল পাড়ার রফিকুল ইসলামের জনৈক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে (১৭) এর সাথে পুলিশের এএসপি পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই সুবাদে সে গত ১৮/৬/২১ ইং তারিখে রফিকুলের মেয়েকে বিবাহ করার জন্য পলাশবাড়ী এসে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার পাঁচশত টাকা মহরনা করে রেজিঃ করে বিবাহ করে ঘর সংসার করতে থাকে। গোকুল ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত কাজী রানার কেরানী জামাল কাজী ছেলের নিকট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন না নিয়েই রেজিষ্ট্রিতে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর নেন। ছেলেটিকে প্রতারক মনে হলে এলাকার লোকজন ২৪/৬/২১ তারিখে সদর থানার গোকুল ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত এস আই বেদার উদ্দিনকে জানালে তিনি থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা বলে প্রতারক ভুয়া পুলিশকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য যে ঐ ভুয়া পুলিশ নিজেকে রংপুর জেলার সৈয়দপুরের কোন এক ফাঁড়িতে দায়িত্ব রত থাকার কথা বলে মেয়েটির সরলতার সুযোগ গ্রহণ করে। পরে সে জানায় ফেরি করে বাদাম বিক্রি করে এবং পাশাপাশি পুলিশের সোর্সের কাজ করে। এব্যাপারে এস আই বেদার উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এধরণের প্রতারকদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
Previous Article“কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া”
Next Article নড়াইলের কালিয়ায় গাঁজাসহ আটক এক

