নিজস্ব প্রতিবেদক | The Mail BD
সৌদি আরবে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ঢাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৪ হাজার ৬৫৫ জন যাত্রী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী সরাসরি ও ট্রানজিটের মোট ৮৯টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল ফ্লাইটের মধ্যে ৩৯টি সরাসরি এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়ার পাঁচটি ফ্লাইট রয়েছে। ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, সালাম এয়ারের চারটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছে। তবে মদিনা বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক ছিল। জেদ্দা বিমানবন্দরেও সাময়িক বিঘ্নের পর ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে যাত্রীদের বিকল্প বিমানবন্দর দিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রিয়াদ ও দাম্মামগামী যাত্রীদের টিকিট পরিবর্তন করে জেদ্দা বা মদিনায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে বিকল্প ফ্লাইটে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে এ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তা জানান, যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে, তাঁদের বিনা মূল্যে টিকিট পরিবর্তনে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে বিকল্প ফ্লাইটে আসনসংকট থাকায় কিছু যাত্রীকে পরবর্তী ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন সৌদি আরবে কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়া প্রবাসীরা। নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে না পারলে তাঁদের কর্মস্থলে যোগদান ও ভিসার মেয়াদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই যাত্রীদের ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জানতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।





